ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মিয়াজীর দা’ফ’ন সম্পন্ন

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৮নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মিয়াজীকে রাষ্ট্রীয় সম্মানা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) সকাল কড়ৈতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রধানের পরে তার নিজ বারিড় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মিয়াজী দীর্ঘদিন শারিরীক অসুস্থতার কারনে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসাধী অবস্থায় ছিলেন।
তার বড় ছেলে মোঃ ফয়সাল মিয়াজী বলেন, বাবা দীর্ঘদিন অসু্স্থ ছিলেন, সর্বশেষ গত দুই সপ্তাহ যাবৎ একটু বেশি অসুস্থ অবস্থায় আইসিওসহ বিভিন্ন চিকিৎসাধীন ছিলেন, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০টা ২৫ মিনিটের সময় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে, ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
রুহুল আমিন মিয়াজী, মৃত্যুকালে এক সহধর্মিণী, চার ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভাকঙ্ক্ষী রেখে যান। মৃত্যু কালে তার বয়স ছিল ৭২ বৎস। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধকালে অংশগ্রহণ করেন।
তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় নবীন-প্রবীন এলাকাবসীর মাঝে শোকের ছায়া  নেমে আসে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ফরিদগঞ্জে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মিয়াজীর দা’ফ’ন সম্পন্ন

আপডেট : ০৭:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৮নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মিয়াজীকে রাষ্ট্রীয় সম্মানা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) সকাল কড়ৈতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রধানের পরে তার নিজ বারিড় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মিয়াজী দীর্ঘদিন শারিরীক অসুস্থতার কারনে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসাধী অবস্থায় ছিলেন।
তার বড় ছেলে মোঃ ফয়সাল মিয়াজী বলেন, বাবা দীর্ঘদিন অসু্স্থ ছিলেন, সর্বশেষ গত দুই সপ্তাহ যাবৎ একটু বেশি অসুস্থ অবস্থায় আইসিওসহ বিভিন্ন চিকিৎসাধীন ছিলেন, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০টা ২৫ মিনিটের সময় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে, ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
রুহুল আমিন মিয়াজী, মৃত্যুকালে এক সহধর্মিণী, চার ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভাকঙ্ক্ষী রেখে যান। মৃত্যু কালে তার বয়স ছিল ৭২ বৎস। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধকালে অংশগ্রহণ করেন।
তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় নবীন-প্রবীন এলাকাবসীর মাঝে শোকের ছায়া  নেমে আসে।