নারায়ণগঞ্জ মহানগরীতে বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরীকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার অন্যতম আসামি অপু (২৫) কে পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) র্যাব-১১’র সদর দপ্তর থেকে গনমাধ্যমে প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এরআগে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নারায়ণগঞ্জ র্যাব-১১’র সদর কোম্পানী ও র্যাব-৮’র একটি যৌথ আভিযানিক দল পটুয়াখলী জেলার কলাপাড়া থানার বলিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত অপু নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার মহসিন ক্লাবের গলির হিরার ছেলে।
এজাহারের বরাত দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২০ অক্টোবর বেলা ১২ টার দিকে এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত এজাহারনামীয় ৯নং আসামী অপু সহ আরো ১০/১২ জন লোক নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর খানপুর এলাকার জিতু ভিলার নিরাপত্তা প্রহরী আবু হানিফকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে প্রথমে সদর মডেল থানার নারায়ণগঞ্জ সেন্ট্রাল হাসপাতালের বিপরীত পাশে সুন্দরবন মাঠে ডেকে নিয়ে মারধর করে। আনুমানিক সাড়ে ১২ টার দিকে সেখান থেকে তাকে নারায়ণগঞ্জ সেন্ট্রাল হাসপাতালের সামনে জোড়া ট্যাংকির মাঠের মধ্যে নিয়ে গেলে সেখানে আরো অজ্ঞাতনামা উচ্ছৃংখল জনতা জড়ো হয়ে তাকে আবারো মারধর করা হয়। সর্বশেষ ঐদিন দুপুর দেড়টার দিকে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে অটোতে করে খানপুর মেট্রো হলের পশ্চিম পাশে বাউন্ডারী করা খালি জায়গায় নিয়ে উল্লিখিত বিবাদীসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬ জন বিবাদী তাকে ইট দিয়ে এলোপাতারী মারধর, কিল, ঘুষি, লাথি মেরে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। এসময় তার অবস্থা গুরুতর হলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে বিকাল ৩টায় খানপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাত ১০টায় আবু হানিফ মৃত্যুবরণ করেন। তারই প্রেক্ষিতে নিহতের ভাই মো: হযরত আলী (২৬) বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামি অপুকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও র্যাব নিশ্চিত করেছে।
আরকে/ সাইফ




















