ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনুমতি ছাড়াই নোয়াখালীতে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার আয়োজন : ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের ক্ষোভ

নোয়াখালীতে জেলা প্রশাসনের কোনো অনুমতি ছাড়াই ‘দি নোয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ নাম ব্যবহার করে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার আয়োজন করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
এই ঘটনায় শহরের ব্যবসায়ী, হাউজিং এলাকার বাসিন্দা ও সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন হাউজিং এস্টেটের বালুর মাঠে গত (১৬) অক্টোবর থেকে এই মেলার কার্যক্রম শুরু হয়।
‘দি নোয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফিরোজ আলম মতিনের নেতৃত্বে শতাধিক দোকান, স্টল এবং বিনোদনমূলক আয়োজন নিয়ে এই মেলার কাজ চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এমন মেলা আয়োজনের কারণে এলাকা জুড়ে যানজট, শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগ তৈরি হয়।
এছাড়া হাসপাতালের আশপাশে রোগীদের চলাচল ও চিকিৎসাসেবা বাধাগ্রস্ত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হাউজিং এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন আমাদের–কে বলেন,

> “আমরা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও দেখেছি, অনুমতি ছাড়া এমন মেলার আয়োজন করতে। এখন বিএনপিও অনুমতি ছাড়া মেলার কাজ শুরু করেছে—এটা সত্যিই হতাশাজনক।”

 

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বেসরকারি হাসপাতালের মালিক বলেন,

> “মেলার কারণে প্রতিদিন তীব্র যানজট ও শব্দদূষণ হয়। রোগীদের ভোগান্তি বেড়ে যায়। প্রশাসনের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।”

 

শহরের সামাজিক সংগঠন ও নাগরিক মহল মনে করছে, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের বাণিজ্যিক আয়োজন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

 

আরকে/ সাইফ

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

অনুমতি ছাড়াই নোয়াখালীতে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার আয়োজন : ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের ক্ষোভ

আপডেট : ০৬:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীতে জেলা প্রশাসনের কোনো অনুমতি ছাড়াই ‘দি নোয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ নাম ব্যবহার করে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার আয়োজন করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
এই ঘটনায় শহরের ব্যবসায়ী, হাউজিং এলাকার বাসিন্দা ও সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন হাউজিং এস্টেটের বালুর মাঠে গত (১৬) অক্টোবর থেকে এই মেলার কার্যক্রম শুরু হয়।
‘দি নোয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফিরোজ আলম মতিনের নেতৃত্বে শতাধিক দোকান, স্টল এবং বিনোদনমূলক আয়োজন নিয়ে এই মেলার কাজ চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এমন মেলা আয়োজনের কারণে এলাকা জুড়ে যানজট, শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগ তৈরি হয়।
এছাড়া হাসপাতালের আশপাশে রোগীদের চলাচল ও চিকিৎসাসেবা বাধাগ্রস্ত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হাউজিং এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন আমাদের–কে বলেন,

> “আমরা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও দেখেছি, অনুমতি ছাড়া এমন মেলার আয়োজন করতে। এখন বিএনপিও অনুমতি ছাড়া মেলার কাজ শুরু করেছে—এটা সত্যিই হতাশাজনক।”

 

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বেসরকারি হাসপাতালের মালিক বলেন,

> “মেলার কারণে প্রতিদিন তীব্র যানজট ও শব্দদূষণ হয়। রোগীদের ভোগান্তি বেড়ে যায়। প্রশাসনের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।”

 

শহরের সামাজিক সংগঠন ও নাগরিক মহল মনে করছে, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের বাণিজ্যিক আয়োজন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

 

আরকে/ সাইফ