ঢাকা ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান তারেক রহমানের

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৭:২৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • 165

 

 

 

মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসীসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন একজন জাতীয়তাবাদী নেতা। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব শুধু মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা নয়, এদেশে আধিপত্যবাদ বিরোধী জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অভ্যুদয়ের সূচনা।”

তিনি বলেন, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী একদলীয় বাকশাল গঠন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে, দেশের সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়। কিন্তু সেই সময় দেশপ্রেমে উদ্দীপ্ত সিপাহী-জনতা জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে রাজপথে নেমে আসে। এর ফলেই ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্ত হন।

বক্তব্যে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে, বাক-ব্যক্তি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়, গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়।” তবে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির এদেশীয় এজেন্টরা জিয়াউর রহমানকে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৈশাচিকভাবে হত্যা করে।

তিনি আরও বলেন, “জিয়া শহীদ হলেও তার আদর্শে অনুপ্রাণিত মানুষ আজও দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ।”

বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকার দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে ক্ষমতা আঁকড়ে রেখেছিল। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও দূর্নীতির ভয়াল রাজত্ব কায়েম করে দেশকে গভীর সংকটে ফেলে দেয়।

তিনি বলেন, “৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিষ্টরা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন গণতন্ত্রের পূর্ণ বিকাশের জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনসহ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।”

সবশেষে তিনি আহ্বান জানান, “৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই আজকের প্রধান দায়িত্ব।”

তিনি দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন,
“আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

 

আরকে/ সাইফ

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান তারেক রহমানের

আপডেট : ০৭:২৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

 

 

 

মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসীসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন একজন জাতীয়তাবাদী নেতা। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব শুধু মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা নয়, এদেশে আধিপত্যবাদ বিরোধী জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অভ্যুদয়ের সূচনা।”

তিনি বলেন, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী একদলীয় বাকশাল গঠন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে, দেশের সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়। কিন্তু সেই সময় দেশপ্রেমে উদ্দীপ্ত সিপাহী-জনতা জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে রাজপথে নেমে আসে। এর ফলেই ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্ত হন।

বক্তব্যে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে, বাক-ব্যক্তি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়, গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়।” তবে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির এদেশীয় এজেন্টরা জিয়াউর রহমানকে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৈশাচিকভাবে হত্যা করে।

তিনি আরও বলেন, “জিয়া শহীদ হলেও তার আদর্শে অনুপ্রাণিত মানুষ আজও দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ।”

বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকার দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে ক্ষমতা আঁকড়ে রেখেছিল। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও দূর্নীতির ভয়াল রাজত্ব কায়েম করে দেশকে গভীর সংকটে ফেলে দেয়।

তিনি বলেন, “৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিষ্টরা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন গণতন্ত্রের পূর্ণ বিকাশের জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনসহ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।”

সবশেষে তিনি আহ্বান জানান, “৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই আজকের প্রধান দায়িত্ব।”

তিনি দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন,
“আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

 

আরকে/ সাইফ