ঢাকা ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে গত কয়েক দশকের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৬ জনের মৃ*ত্যু

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৫:০১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • 76

 

দেশে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে তিন জেলায় শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি ঢাকার পাশের নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় উৎপন্ন হয়ে মাত্র ২৬ সেকেন্ডের মধ্যেই রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র কম্পন ছড়িয়ে দেয়। আতঙ্কে মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে এবং বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা ও দৌড়ঝাঁপ সৃষ্টি হয়। পুরান ঢাকার আরমানিটোলার কসাইটুলি এলাকায় আটতলা ভবনের দেয়াল ও কার্নিশ ধসে পড়ে তিনজন নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪১ জন আহত চিকিৎসা নেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীও ছিলেন। মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয় আরও ১০ জনকে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি ভবনের দেয়াল ধসে দশ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু হয় এবং তার পরিবারের সদস্যরা আহত হন। নরসিংদীর পলাশে মাটির ঘর ভেঙে পড়ে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি মারা যান। একই জেলায় গাবতলি এলাকায় সানশেড ধসে পড়ে ১০ বছর বয়সী ওমরের মৃত্যু হয়, আহত হয় তার পরিবার। গাজীপুরের তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭২ জন, শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৩ জন ও নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ৪৫ জন আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নেন। রাজধানীর ধানমন্ডি, হাতিরপুল, মিরপুর, এলিফেন্ট রোড, গুলশান ও পুরান ঢাকায় ভবন থেকে নামতে গিয়ে অনেকে পড়ে বা ধাক্কাধাক্কিতে আহত হন; কয়েকজন শিক্ষার্থী লাফ দিয়ে নামতে গিয়েও গুরুতর আঘাত পান। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এ ধরনের প্রাণহানি জাতীয়ভাবে দুর্যোগ প্রস্তুতি, ভবনের কাঠামো নিরাপত্তা এবং জরুরি ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

 

আরকে/ সাইফ

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

দেশে গত কয়েক দশকের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৬ জনের মৃ*ত্যু

আপডেট : ০৫:০১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

 

দেশে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে তিন জেলায় শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি ঢাকার পাশের নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় উৎপন্ন হয়ে মাত্র ২৬ সেকেন্ডের মধ্যেই রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র কম্পন ছড়িয়ে দেয়। আতঙ্কে মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে এবং বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা ও দৌড়ঝাঁপ সৃষ্টি হয়। পুরান ঢাকার আরমানিটোলার কসাইটুলি এলাকায় আটতলা ভবনের দেয়াল ও কার্নিশ ধসে পড়ে তিনজন নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪১ জন আহত চিকিৎসা নেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীও ছিলেন। মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয় আরও ১০ জনকে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি ভবনের দেয়াল ধসে দশ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু হয় এবং তার পরিবারের সদস্যরা আহত হন। নরসিংদীর পলাশে মাটির ঘর ভেঙে পড়ে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি মারা যান। একই জেলায় গাবতলি এলাকায় সানশেড ধসে পড়ে ১০ বছর বয়সী ওমরের মৃত্যু হয়, আহত হয় তার পরিবার। গাজীপুরের তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭২ জন, শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৩ জন ও নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ৪৫ জন আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নেন। রাজধানীর ধানমন্ডি, হাতিরপুল, মিরপুর, এলিফেন্ট রোড, গুলশান ও পুরান ঢাকায় ভবন থেকে নামতে গিয়ে অনেকে পড়ে বা ধাক্কাধাক্কিতে আহত হন; কয়েকজন শিক্ষার্থী লাফ দিয়ে নামতে গিয়েও গুরুতর আঘাত পান। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এ ধরনের প্রাণহানি জাতীয়ভাবে দুর্যোগ প্রস্তুতি, ভবনের কাঠামো নিরাপত্তা এবং জরুরি ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

 

আরকে/ সাইফ