চাঁদপুর–০২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন তরুণ নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতিশীল মুখ ইসরাত জাহান বিন্দু। স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক মতলব গড়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি মাঠে কাজ করছেন দীর্ঘদিন ধরে।
১৯৯৮ সালে মতলব দক্ষিণ উপজেলার মোবারকদি গ্রামে জন্ম নেওয়া ইসরাত জাহান বিন্দু শিক্ষাজীবন থেকেই নেতৃত্ব ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে তিনি খুব দ্রুত রাজনীতিতে নিজের দক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বগুণের পরিচয় দিতে সক্ষম হন।
জুলাই অভ্যুত্থান–পরবর্তী সংকটময় সময়ে তিনি চাঁদপুর জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কমিটির মুখপাত্র হিসেবে আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক ও সাহসী ভূমিকার স্বাক্ষর রাখেন। সেই সময় তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ তরুণ সমাজে ব্যাপক আলোচিত হয়।
বর্তমানে তিনি এনসিপির অঙ্গসংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তেজগাঁও জোনের আওতাধীন ৯ থানার সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং কুমিল্লা অঞ্চলের ৬ জেলার প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব সুচারুভাবে পরিচালনা করছেন। সম্প্রতি তাঁর কর্মকৌশল, সততা ও নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে সংগঠনের অর্থ বিষয়ক উপকমিটির সদস্যও করা হয়েছে।
মতলবের উন্নয়ন নিয়ে ইসরাত জাহান বিন্দুর দৃষ্টিভঙ্গি ব্যতিক্রমধর্মী। তাঁর মতে, উন্নয়নের মূল শর্ত হলো—স্বচ্ছ প্রশাসন, বৈষম্যহীন সমাজ, তরুণদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ব্যবস্থা। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সুশাসন ও আধুনিক অবকাঠামোকে তিনি উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে দেখেন।
নারী নেতৃত্ব বিকাশেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। সাইবার হ্যারাসমেন্ট, সামাজিক চাপ কিংবা রাজনৈতিক ভয়ভীতির মুখে নারীদের তিনি নিয়মিত পরামর্শ, কাউন্সেলিং, আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা নির্দেশনা দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর সহায়তায় বহু তরুণী পুনরায় নেতৃত্বে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ফিরে এসেছে।
ইসরাত জাহান বিন্দু বলেন, “যোগ্য নেতৃত্বকে সামনে আনতে হবে। নারী–পুরুষ সমানভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিলে তবেই সমাজ প্রকৃত অর্থে উন্নত হবে।”
আধুনিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক মতলব গড়ার প্রত্যয়ে তিনি তরুণদের সঙ্গে নিয়ে ভবিষ্যতের শক্তিশালী নেতৃত্ব গড়তে এগিয়ে যেতে চান। তরুণ প্রজন্ম এবং সচেতন নাগরিকদের মতে, তাঁর ব্যতিক্রমী পথচলা মতলবের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত তৈরি করতে পারে।
আরকে/ সাইফ




















