চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব এমএ হান্নানের নাম জড়িয়ে ও ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার চালাচ্ছে অজ্ঞাত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী। একটি এমএ হান্নানের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক পোস্ট করে বিভ্রান্তি তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি ওই ভুয়া আইডি থেকে এমনি একটি পোস্ট করা হয়। পোস্টে উপজেলার ১৬নং গৃদকালিন্দিয়া বাঁশতলার বাসিন্দা বিল্লালকে ‘আওয়ামী সন্ত্রাসী’ আখ্যায়িত করে ও কেন্দ্রীয় নেতাদের নাম উল্লেখ করে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য উপস্থাপন করা হয়। পোস্টে একটি ছবি সংযুক্ত করে উল্লেখ করা হয় :
‘দাঁড়ানো এবং অট্টহাসিতে ১৬ নম্বরের গৃদকালিন্দিয়া বাঁশতলার বিল্লালকে কে কে চিনেন? এই বিল্লাল হল আওয়ামীর অন্যতম সন্ত্রাস, কেন্দ্র দখল ও বিএনপির মানুষকে নির্যাতন করতো। উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের গুলি করার নির্দেশ দিতো এই বিল্লাল। এখন কথা হলো বিএনপির প্রাথমিক মনোনীত লায়ন হারুন কেনো আওয়ামী লোক নিয়ে ঘুরতে হবে? সোজা উত্তর হারুন নিজেই আওয়ামী সাবেক এমপি শামছুল হক ভুইয়ার দোসর ও বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যান পরিষদের আজীবন সদস্য।
বাহঃ এ্যানি চৌধুরি, ডাঃ জাহিদ, মাহাদী আমিন।
আপনাদের ধন্যবাদ, আওয়ামীদের পুনঃবাসনের জন্য।
তবে ফেসবুকে এই নামে এমএ হান্নানের কোন আইডি নেই ও এই ধরনের কোন পোস্ট এম এ হান্নান করেননি বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও এম এ হান্নানের অনুসারী ডা. আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বলেন, এমএ হান্নান বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন না পেলেও তার জন্য কর্মী সমর্থকদের ও জনসাধারণের ভালোবাসা দেখে একটি গোষ্ঠী আলহাজ্ব এমএ হান্নানের জনপ্রিয়তায় ঋর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা বিভিন্নভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে কোন সুফল না পেয়ে এখন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নাম জড়িয়ে অপপ্রচার করার চেষ্টা করছে। তবে আমি নিশ্চিত করছি এই নামে আলহাজ্ব এমএ হান্নানের কোন ফেসবুক একাউন্ট নেই। তাকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে অজ্ঞাত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এমন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
RK / SAIF




















