ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবলিক প্লেসে অনুমতি ছাড়া মাইক ব্যবহারে ট্রাফিক পুলিশের তাৎক্ষণিক জরিমানা

 

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় নতুন শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ জারি করেছে। সোমবার ঘোষিত এ প্রজ্ঞাপনে ২০০৬ সালের পুরোনো বিধিমালাকে হালনাগাদ করে বাস্তব পরিস্থিতি, নতুন চাহিদা ও প্রযুক্তিগত বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়েছে।

পূর্বের বিধিমালায় একাধিক সীমাবদ্ধতা থাকায় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্পষ্ট নির্দেশনার অভাবের কারণে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি পাওয়া যাচ্ছিল না। বিশেষভাবে জরিমানা আরোপের ক্ষমতা কেবল ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় জনবল সংকটের কারণে মাঠপর্যায়ে আইন কার্যকর করা কঠিন হয়ে উঠেছিল।

নতুন বিধিমালায় সে সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে প্রথমবারের মতো ট্রাফিক পুলিশের হাতে শব্দদূষণ সংক্রান্ত অপরাধে সরাসরি জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক সার্জেন্ট এবং তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখন থেকে বিধির আওতায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে ঘটনাস্থলেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করতে পারবেন।

এতে আশা করা হচ্ছে, নগর ও সড়কপথে অনিয়ন্ত্রিত হর্ন ব্যবহারসহ বিভিন্ন ধরনের শব্দদূষণ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জিত হবে। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগ শহরের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং শব্দদূষণ কমাতে মাঠপর্যায়ের তদারকি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।

নতুন বিধিমালার কার্যকারিতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হচ্ছে, যা সারাদেশে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টায় নতুন গতি যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

আরকে/ সাইফ

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

পাবলিক প্লেসে অনুমতি ছাড়া মাইক ব্যবহারে ট্রাফিক পুলিশের তাৎক্ষণিক জরিমানা

আপডেট : ১১:৩৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

 

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় নতুন শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ জারি করেছে। সোমবার ঘোষিত এ প্রজ্ঞাপনে ২০০৬ সালের পুরোনো বিধিমালাকে হালনাগাদ করে বাস্তব পরিস্থিতি, নতুন চাহিদা ও প্রযুক্তিগত বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়েছে।

পূর্বের বিধিমালায় একাধিক সীমাবদ্ধতা থাকায় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্পষ্ট নির্দেশনার অভাবের কারণে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি পাওয়া যাচ্ছিল না। বিশেষভাবে জরিমানা আরোপের ক্ষমতা কেবল ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় জনবল সংকটের কারণে মাঠপর্যায়ে আইন কার্যকর করা কঠিন হয়ে উঠেছিল।

নতুন বিধিমালায় সে সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে প্রথমবারের মতো ট্রাফিক পুলিশের হাতে শব্দদূষণ সংক্রান্ত অপরাধে সরাসরি জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক সার্জেন্ট এবং তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখন থেকে বিধির আওতায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে ঘটনাস্থলেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করতে পারবেন।

এতে আশা করা হচ্ছে, নগর ও সড়কপথে অনিয়ন্ত্রিত হর্ন ব্যবহারসহ বিভিন্ন ধরনের শব্দদূষণ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জিত হবে। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগ শহরের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং শব্দদূষণ কমাতে মাঠপর্যায়ের তদারকি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।

নতুন বিধিমালার কার্যকারিতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হচ্ছে, যা সারাদেশে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টায় নতুন গতি যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

আরকে/ সাইফ