অনলাইন ডেস্কঃ
ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা ইলোরা চৌধুরী বলেছেন, বুধবার সকালে একজন তথ্য সংগ্রহকারী এসে তার নিজের ও পরিবারের সব তথ্য সংগ্রহ করে নিয়েছেন।
”আমার নাম, জন্ম তারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ব্যাংক হিসাব ও বিকাশ অ্যাকাউন্ট আছে কিনা, কোথায় জন্ম হয়েছে, কি করি, বাসায় কে কে আছেন, তারা কি করেন, নিজের বাড়ি কিনা, সাবলেট আছে ইত্যাদি জেনে নিয়েছেন। কোন কাগজপত্র দেখতে চাননি। যা বলেছি, সেগুলো একটি ট্যাবে লিখে নিয়েছেন.” তিনি বলছেন।
এর আগে সর্বশেষ ২০১১ সালে একইরকম তথ্য তিনি দিয়েছিলেন বলে জানান।
প্রকল্পের পরিচালক মি. হোসেন বলছেন, ”জনশুমারিতে নেয়া এসব তথ্য পর্যালোচনার পর বাংলাদেশের জনসংখ্যা, তাদের আর্থিক অবস্থা, পারিবারিক অবস্থার একটি চিত্র পাওয়া যাবে। সেই সঙ্গে কতগুলো বাড়ি আছে, সেসব বাড়িতে কতজন বসবাস করেন তাও জানতে পারা যাবে।”
একইসঙ্গে তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ির ধরন, টয়লেটের সুবিধা, বিদ্যুৎ, পানি ও রান্নার জ্বালানির উৎস ইত্যাদি তথ্যও সংগ্রহ করছেন।
জনশুমারি ও গৃহগণনার এসব তথ্য গবেষণা, জাতীয় নির্বাচন, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা, বাজেট বরাদ্দ ইত্যাদি কাজে সহায়তা করবে বলে কর্মকর্তারা বলছেন।
তবে আগে এসব তথ্য কাগজ-কলমে সংগ্রহ করার পর সেগুলো আবার নানা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিসংখ্যার ব্যুরোর প্রধান দপ্তরে নথিভুক্ত করতে হতো।
কিন্তু এবার ট্যাব ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে এসব তথ্য সংগ্রহ করায় তা তাৎক্ষণিকভাবেই বিবিএসের সার্ভারে জমা হচ্ছে।
একুশে জুন পর্যন্ত এভাবে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে। এরপর এসব তথ্য বিশ্লেষণের কাজ শুরু হবে।
মি. হোসেন বলছেন. আগামী তিনমাসের মধ্যেই তারা জরিপের প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে পারবেন বলে আশা করছেন।




















