ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা) এর সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় হাজীগঞ্জে দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাজীগঞ্জ উপজেলার রামচন্দ্রপুর ভূইয়া একাডেমির মাঠে এ উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন যুব রেড ক্রিসেন্টের যুব নেতা ইয়াসিন আরাফাত। পরে বক্তব্য রাখেন ইপসার ইয়ুথ কো-অর্ডিনেটর আফরা নাওয়ার রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ইপসার অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মসূচির পরিচালক মনজুর মোরশেদ চৌধুরী এবং রামচন্দ্রপুর ভূইয়া একাডেমির প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান।
ইপসার শাহরাস্তি এরিয়া মেনেজার রুবেল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইপসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. মোঃ আরিফুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “যুবসমাজকে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে ইপসা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়ন মেলার মাধ্যমে তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা আরও শক্তিশালী হবে।”
আলোচনা সভার এক পর্যায়ে সমাজে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সামাজিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সম্মাননা পান জাকির হোসাইন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে শরিফুল ইসলাম, প্রিয় ব্যক্তি হিসেবে আজাদ হোসেন মজুমদার এবং সাংবাদিক হিসেবে সম্মাননা লাভ করেন দৈনিক আদি বাংলার সংবাদকর্মী নূর মোহাম্মদ।
এছাড়াও শ্রেষ্ঠ সন্তানের সম্মাননা পান ৪০তম বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারের চাঁদপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মোঃ মাহবুবুর রহমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ফিরোজ। মেন্টর সম্মাননা প্রদান করা হয় ইপসার ইয়ুথ কো-অর্ডিনেটর আফরা নাওয়ার রহমানকে। যুব সম্মাননা পান তাসমা তাহারাত রুপা, কুলসুম আক্তার, মোহাম্মদ আলী ও মাহমুদুল হাসান রাসেল। শ্রেষ্ঠ প্রবীণ হিসেবে সম্মাননা লাভ করেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা আবু জাফর খান।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। পরে তারা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। মেলায় যুব উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ, সামাজিক সচেতনতা, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম তুলে ধরা হয়, যা আগত দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
উন্নয়ন মেলায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষার্থী, যুবসমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।




















