ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোনাতলায় সাবেক অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার সরকারি নাজির আখতার কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সোনাতলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তার ইন্তেকালে সোনাতলাসহ পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় সরকারি নাজির আখতার কলেজ মাঠে  মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন  সরকারি নাজির আখতার কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মঞ্জুর কাদের, বগুড়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, সাবেক জেলা আমীর অধ্যাপক নাজিমউদ্দীন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ মোজাহিদুল ইসলাম খান এবং সোনাতলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর সহকারী অধ্যাপক ফজলুল করিম,নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক মন্ডল।
বক্তারা প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞার বর্ণাঢ্য কর্মজীবন, শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান এবং ইসলামী আন্দোলনে তার দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও ভূমিকার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, নীতিবান সংগঠক ও সমাজসেবক, যিনি আজীবন নৈতিকতা ও আদর্শের পথে অবিচল ছিলেন। বক্তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রথম জানাজা শেষে মরহুমের নিজ বাড়িতে বেলা ২টা ৩০ মিনিটে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আত্মীয়স্বজন, এলাকাবাসী, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞা দীর্ঘদিন সরকারি নাজির আখতার কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষা প্রশাসনে দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধে দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপকভাবে সম্মানিত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি সোনাতলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর হিসেবে ইসলামী আন্দোলনকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তার ইন্তেকালে শিক্ষা অঙ্গন ও রাজনৈতিক–সামাজিক মহলে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় বিশিষ্টজনরা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন মরহুমের মৃত্যুতে পৃথক শোকবার্তা প্রদান করেছে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

সোনাতলায় সাবেক অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

আপডেট : ০৬:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার সরকারি নাজির আখতার কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সোনাতলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তার ইন্তেকালে সোনাতলাসহ পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় সরকারি নাজির আখতার কলেজ মাঠে  মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন  সরকারি নাজির আখতার কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মঞ্জুর কাদের, বগুড়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, সাবেক জেলা আমীর অধ্যাপক নাজিমউদ্দীন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ মোজাহিদুল ইসলাম খান এবং সোনাতলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর সহকারী অধ্যাপক ফজলুল করিম,নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক মন্ডল।
বক্তারা প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞার বর্ণাঢ্য কর্মজীবন, শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান এবং ইসলামী আন্দোলনে তার দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও ভূমিকার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, নীতিবান সংগঠক ও সমাজসেবক, যিনি আজীবন নৈতিকতা ও আদর্শের পথে অবিচল ছিলেন। বক্তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রথম জানাজা শেষে মরহুমের নিজ বাড়িতে বেলা ২টা ৩০ মিনিটে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আত্মীয়স্বজন, এলাকাবাসী, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞা দীর্ঘদিন সরকারি নাজির আখতার কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষা প্রশাসনে দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধে দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপকভাবে সম্মানিত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি সোনাতলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর হিসেবে ইসলামী আন্দোলনকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তার ইন্তেকালে শিক্ষা অঙ্গন ও রাজনৈতিক–সামাজিক মহলে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় বিশিষ্টজনরা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন মরহুমের মৃত্যুতে পৃথক শোকবার্তা প্রদান করেছে।