কৃষি জমির উর্বরতা রক্ষায় উপরি-স্তর কর্তন ও অবৈধ ভরাটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া আবাদযোগ্য জমির উপরি-স্তর কর্তন বা মালিকের অনুমতি ব্যতীত বালু-মাটি দিয়ে জমি ভরাট করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (সায়রাত অনুবিভাগ) সাবেরা আক্তার স্বাক্ষরিত এক স্মারকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন জেলায় কিছু অসাধু ব্যক্তি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত না করে রাতের আঁধারে সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির উপরি-স্তর কর্তন করছে। এতে জমির স্বাভাবিক উর্বরতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে কৃষিজ উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
স্মারকে উল্লেখ করা হয়, “ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩”-এর ১৩ ধারায় এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া আবাদযোগ্য বা কর্ষণীয় জমির উপরি-স্তর কর্তন কিংবা রেকর্ডীয় মালিকের অনুমতি ছাড়া জমি ভরাট করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ প্রেক্ষিতে আইনটির ১৩ ধারা অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দেশের সকল জেলা প্রশাসককে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। উক্ত নির্দেশনার অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাঠ প্রশাসন), সকল বিভাগীয় কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগতির জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় মনে করছে, এই উদ্যোগের ফলে কৃষি জমি সুরক্ষা জোরদার হবে এবং অবৈধ মাটি কর্তন ও ভরাট কার্যক্রম অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে।




















