চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলহাজ্ব এম. এ. হান্নানের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে চিংড়ি প্রতীক। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই ফরিদগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে আলোচনা ও আগ্রহ।
আলহাজ্ব এম. এ. হান্নান ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক। বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় এই নেতা এলাকায় পরিচিত একজন সংগঠক ও উন্নয়নমুখী ব্যক্তি হিসেবে। যদিও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী, তবে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগতভাবে তার পক্ষে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে ফরিদগঞ্জবাসীর সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তার অনুসারীরা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং চিংড়ি প্রতীকে ভোট চাচ্ছেন।
এ প্রসঙ্গে আলহাজ্ব এম. এ. হান্নান বলেন,
“দলীয় সমর্থন না থাকলেও আমি দলেরই একজন মানুষ। দলের আদর্শেই কাজ করেছি এবং করে যাচ্ছি। মানুষ হয়তো আমার কাজের মূল্যায়ন করছে। ২০১৪ সাল থেকে ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়নের সময় আমি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম, আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, জেলও খেটেছি। সেই ত্যাগের কারণেই আজ নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ বিবেকের তাড়নায় আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।”
তিনি আরও বলেন,
“ফরিদগঞ্জের জনগণের সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। যদি জনগণ পাশে থাকে, তাহলে বিজয় সম্ভব।”
চিংড়ি প্রতীক হাতে নিয়ে আলহাজ্ব এম. এ. হান্নানের এই নির্বাচনী লড়াই ফরিদগঞ্জের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন ফরিদগঞ্জের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ।




















