ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে অশ্রুসিক্ত, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিয়ে  অবসরজনিত রাজকীয় ভাবে বিদায় সংবর্ধনা নিলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান

অশ্রুসিক্ত, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিয়ে অবসরজনিত রাজকীয় ভাবে বিদায় সংবর্ধনা নিলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের পরিসমাপ্তিতে উনকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামানকে  ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় ভরা এক রাজকীয় বিদায়।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে বিদ্যালয় মাঠে মিলনমেলায়—যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজনেরা একত্রিত হয়েছিলেন প্রিয় শিক্ষককে সম্মান জানাতে।

অবসরজনিত সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মহি উদ্দিন আবু ইউসুফ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলী আশ্রাফ খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জননন্দিত চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম পাটোয়ারী লিটন, মেহের ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মাধ্যমিক সমাজকল্যাণ শিক্ষক সমিতির সভাপতি আঃ রহিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন (এমএসসি), ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুর রহমান, চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মুশু, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার জিয়াউর রহমান, সমাজসেবক জাকির হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষক আঃ রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ আলী আশ্রাফ খান বলেন, “একজন শিক্ষক কেবল পাঠদান করেন না, তিনি একটি প্রজন্ম গড়ে তোলার কারিগর। মোঃ মনিরুজ্জামান তাঁর কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা শিক্ষক সমাজের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।”

বিদায়ী শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। “এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় জড়িয়ে আছে। দায়িত্ব পালনে কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল আমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠান বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে সম্মাননা স্মারক, ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে রাজকীয় আয়োজনে ঘোড়ার গাড়িতে করে তাঁকে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

শাহরাস্তিতে অশ্রুসিক্ত, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিয়ে  অবসরজনিত রাজকীয় ভাবে বিদায় সংবর্ধনা নিলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান

আপডেট : ০৮:১১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অশ্রুসিক্ত, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিয়ে অবসরজনিত রাজকীয় ভাবে বিদায় সংবর্ধনা নিলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের পরিসমাপ্তিতে উনকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামানকে  ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় ভরা এক রাজকীয় বিদায়।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে বিদ্যালয় মাঠে মিলনমেলায়—যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজনেরা একত্রিত হয়েছিলেন প্রিয় শিক্ষককে সম্মান জানাতে।

অবসরজনিত সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মহি উদ্দিন আবু ইউসুফ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলী আশ্রাফ খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জননন্দিত চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম পাটোয়ারী লিটন, মেহের ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মাধ্যমিক সমাজকল্যাণ শিক্ষক সমিতির সভাপতি আঃ রহিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন (এমএসসি), ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুর রহমান, চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মুশু, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার জিয়াউর রহমান, সমাজসেবক জাকির হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষক আঃ রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ আলী আশ্রাফ খান বলেন, “একজন শিক্ষক কেবল পাঠদান করেন না, তিনি একটি প্রজন্ম গড়ে তোলার কারিগর। মোঃ মনিরুজ্জামান তাঁর কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা শিক্ষক সমাজের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।”

বিদায়ী শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। “এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় জড়িয়ে আছে। দায়িত্ব পালনে কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল আমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠান বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে সম্মাননা স্মারক, ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে রাজকীয় আয়োজনে ঘোড়ার গাড়িতে করে তাঁকে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।