তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আগামি ১২ ফেব্রুয়ারী জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে। কারণ, জুলাই আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান রেখে বিএনপি সরকার গঠন করলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামির সরকার গণতন্ত্র সুসংহত করবে। জাতীয় নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিসহ সকল স্থানীয় নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদপত্র’সহ মানুষের মত প্রকাশ ও বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতায় ভূমি অফিস’সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ঘুষ-দুর্ণীতি প্রতিরোধসহ জনগণের প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করা হবে। গ্রাম্য সালিশি বৈঠকে সুবিচার নিশ্চিতকরণ’সহ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, ইভটিজিং বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত হয়ে বিগত সরকারের আমলে যেভাবে পুলিশকে ব্যবহার করে গ্রেফতার, জেল-জুলুম ও দমন-পীড়ন করা হয়েছে। আমরা সেটি হতে দিবো না।
ইঞ্জি. মমিনুল হক বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিবাসীর উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেসব খাল বেদখল হয়ে গেছে, তা একবছরের মধ্যে দখল মুক্ত করা হবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতার সেবাসমূহ দিগুন করতে চাই। মানসম্মত আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালুকরণ, জাতীয়ভাবে ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানির ব্যবস্থা করা হবে। বেকার-যুবক এবং অস্বচ্ছল পরিবারের লোকজনকে পুঁজি দিয়ে তাদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। জাতী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স-অবস্থান নিশ্চিত করা হবে। কারো প্রতি কোন ধরনের অন্যায় আচরণ করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে। আমাদের নেতার (তারেক রহমান) নেতৃত্বে সকলের অংশগ্রহণে আমরা নতুন একটি বাংলাদেশ উপহার দিতে চাই।
সবশেষ তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে ইঞ্জি. মমিনুল হক বলেন, গত একমাসে নির্বাচনী ওয়ার্কে আমি আপনাদের সামনে যেসব কথা বলেছি। আমার উপর আস্থা ও বিশ^াস রেখে সেসব কথাগুলোর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন।
এছাড়া সভায় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল’সহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপজেলা, পৌর ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থকসহ কয়েক সহস্রাধীক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।




















