জসিম উদ্দিন,ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে অপহরণের ৪দিন পর ৮ম শ্রেণির শিক্ষাথীকে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরনকারী শাওন হোসেনকেও আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফরিদগঞ্জ থানায় প্রেসকনফারেন্স করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(হাজিগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ) সার্কেল সোহেল মাহমুদ গণমাধ্যমকমর্ীদের এসব তথ্য প্রদান করেন।
কনফারেন্সে পুলিশ সূত্র জানায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পুর্ব ইউনিয়নের বালিমুড়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী আব্দুল কাদেরের মেয়ে সামিয়া ইসলাম কাশপি। সে পাশ্ববতর্ী হাজিগঞ্জ উপজেলার দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথিমধ্যে দীর্ঘদিন যাবত একই এলাকার মুচিয়া বাড়ির আব্দুল হালিম খানের ছেলে শাওন হোসেন তাকে উত্যক্ত করতো। এনিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠকও হয়। সালিশ বৈঠকে শাওন তার ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে আর উত্যক্ত করবেনা বলে মুচলেকাও দেয়। কিন্তু গত ১৭ জুন শুক্রবার সকালে কাশপি প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে পথিমধ্যে পুর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা শাওন ও তার সহযোগিরা তাকে জোরপুর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। এব্যাপারে শুক্রবার রাতেই কাশপির মা শাহিন বেগম বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় শাওনকে প্রধান আসামী করে ও তার সহযোগি একই এলাকার সফিউল্ল্যার ছেলে বাহারের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪জনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বরকত উল্ল্যাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মঙ্গলবার (২১জুন) দুপুরে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে কাশটপিকে উদ্ধার ও শাওনকে আটক করেন। পুলিশ আরো জানায়, ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় শাওন একটি ভাড়া বাসায় গত ৪দিন যাবত কাশপিকে আটকে রেখেছিল। সেখানে কাশপি ধর্ষনের শিকারহয়েছে কিনা সেজন্য তার সাথে কথা বলে প্রয়োজনে তাকে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্য পুলিশি হেফাজতে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। তারপর তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আর পরিক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ আসলে অপহরণ মামলার সাথে সে ধারাটি যুক্ত হবে। এছাড়া শাওনকে আদালতে প্রেরন করা হবে। এসময় প্রেসকনফারেন্সে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল, মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই বরকত উল্ল্যাহ, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কামরুজ্জামানসহ প্রেস ও ইলেকট্রিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্তিত ছিলেন।




















