ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পৌরসভার নেই ডাম্পিং স্টেশন দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারী

  • সুমন আহমেদ
  • আপডেট : ০৭:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 64

মতলব উত্তরে ছেংগারচর পৌরসভা হচ্ছে প্রথম শ্রেণির। কাগজে-কলমে এবং নামেই শুধু প্রথম শ্রেণি, এই পৌরসভার নাগরিকরা পাচ্ছেন না নাগরিক সেবা। বর্তমান পৌর প্রশাসক মাহমুদা কুলসুম মনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাস্তবায়ন করতে পারেননি। প্রায় ১০মাসের ওপরে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থেকে তিনি গতানুগতিক কাজ ব্যতীত ভালো কিছুই দেখাতে পারেননি। নির্দিষ্ট স্থানে ছেংগারচর পৌরসভার ময়লা ফেলার সমস্যা দীর্ঘদিনের। ময়লা ফেলার জন্য নেই ডাম্পিং স্টেশন।

গত বছর ময়লা ফেলেছে পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও পৌর ভূমি অফিস এর সামনে।
এ নিয়ে কয়েকটি সংগঠন প্রতিবাদ ও বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করে পৌরসভার ময়লা ফেলেছে ছেংগারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে।

ছেংগারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজের পিছনে নুরিয়া মাদ্রাসা রোড, মতলব উত্তর প্রেসক্লাব সংলগ্ন খাল। এরপর ছেংগারচর বাজারের বিভিন্ন ব্যস্ততম সড়কের
উপর ও পাশে ফেলছিল ময়লা। এসব ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ওই এলাকাবাসী ও পথচারীরা।
পৌরসভার বাসিন্দা উজ্জ্বল বেপারী বলেন, বিগত সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম, পৌর প্রশাসক বাজারের ময়লার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন এবং প্রতিদিন পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু ওনার অফিসের পাশেই যে পরিমাণ ময়লার স্তূপ দেখা যাচ্ছে, তা ওনার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। ঠিকমতো কর্মচারীদের দিয়ে তাদের সঠিক কাজ করাতে পারেন না। ১০মাস পার হয়ে গেল, ওনার হাসিমুখ ছাড়া ময়লার ব্যাপারে দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি। ছেংগারচর বাজারের ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দীন বলেন, অনেকবার অভিযোগ করা হয়েছে, সংবাদ হয়েছে।

বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা আরও জানান, সরকারের পরিবর্তনের পর তারা আশা করেছিলেন পৌর প্রশাসন অন্তত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার রাখবে। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি থাকলেও কার্যকর উদ্যোগের দেখা মিলছে না।

ইউএনও ও পৌর প্রশাসক মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, জনবল সংকটই বড় বাধা। পৌরসভার ময়লা ফেলার নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবে অন্য কোথাও কোনো সমস্যা আছে বলে আমরা দেখছি না। তারপরও যদি কোনো সমস্যা থাকে, আমাদের জানালে আমরা তা সমাধান করব।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

পৌরসভার নেই ডাম্পিং স্টেশন দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারী

আপডেট : ০৭:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মতলব উত্তরে ছেংগারচর পৌরসভা হচ্ছে প্রথম শ্রেণির। কাগজে-কলমে এবং নামেই শুধু প্রথম শ্রেণি, এই পৌরসভার নাগরিকরা পাচ্ছেন না নাগরিক সেবা। বর্তমান পৌর প্রশাসক মাহমুদা কুলসুম মনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাস্তবায়ন করতে পারেননি। প্রায় ১০মাসের ওপরে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থেকে তিনি গতানুগতিক কাজ ব্যতীত ভালো কিছুই দেখাতে পারেননি। নির্দিষ্ট স্থানে ছেংগারচর পৌরসভার ময়লা ফেলার সমস্যা দীর্ঘদিনের। ময়লা ফেলার জন্য নেই ডাম্পিং স্টেশন।

গত বছর ময়লা ফেলেছে পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও পৌর ভূমি অফিস এর সামনে।
এ নিয়ে কয়েকটি সংগঠন প্রতিবাদ ও বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করে পৌরসভার ময়লা ফেলেছে ছেংগারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে।

ছেংগারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজের পিছনে নুরিয়া মাদ্রাসা রোড, মতলব উত্তর প্রেসক্লাব সংলগ্ন খাল। এরপর ছেংগারচর বাজারের বিভিন্ন ব্যস্ততম সড়কের
উপর ও পাশে ফেলছিল ময়লা। এসব ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ওই এলাকাবাসী ও পথচারীরা।
পৌরসভার বাসিন্দা উজ্জ্বল বেপারী বলেন, বিগত সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম, পৌর প্রশাসক বাজারের ময়লার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন এবং প্রতিদিন পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু ওনার অফিসের পাশেই যে পরিমাণ ময়লার স্তূপ দেখা যাচ্ছে, তা ওনার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। ঠিকমতো কর্মচারীদের দিয়ে তাদের সঠিক কাজ করাতে পারেন না। ১০মাস পার হয়ে গেল, ওনার হাসিমুখ ছাড়া ময়লার ব্যাপারে দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি। ছেংগারচর বাজারের ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দীন বলেন, অনেকবার অভিযোগ করা হয়েছে, সংবাদ হয়েছে।

বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা আরও জানান, সরকারের পরিবর্তনের পর তারা আশা করেছিলেন পৌর প্রশাসন অন্তত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার রাখবে। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি থাকলেও কার্যকর উদ্যোগের দেখা মিলছে না।

ইউএনও ও পৌর প্রশাসক মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, জনবল সংকটই বড় বাধা। পৌরসভার ময়লা ফেলার নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবে অন্য কোথাও কোনো সমস্যা আছে বলে আমরা দেখছি না। তারপরও যদি কোনো সমস্যা থাকে, আমাদের জানালে আমরা তা সমাধান করব।