ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছেংগারচর পৌরসভায় টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মারামারি, আহত ৫

  • সুমন আহমেদ
  • আপডেট : ০৯:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 117

Oplus_16908288

মতলব উত্তরের ছেঙ্গারচর পৌরসভায় হাট-বাজার ইজারার টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বুধবার দুপুরে ছেঙ্গারচর পৌরসভায় হাট-বাজারের গরুর বাজার, মাছ বাজার ও ৫ টি সিএনজি স্ট্যান্ড ইজারার সিডিউল জমা দিতে বিএনপির যুবদল নেতা আবু সাঈদ বেপারী ও পৌর যুবদলের আহবায়ক উজ্জল ফরাজী গংরা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নান্নু প্রধান, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বিল্লাল হোসেন ফরাজী, বিএনপি নেতা আমিনুল হক সরকার’ সহ অন্যান্যদের সিডিউল জমা দিতে বাঁধা প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।

মারামারির ঘটনায় উভয়পক্ষের আহতরা হলেন বিএনপি নেতা বদরুজ্জামান (৫৫), সায়েম (২০) ও সফিউল্লাহ (৩৫)সহ ৫ জন।

যুবদল নেতা আবু সাঈদ বেপারী বলেন, সিডিউল জমা দেয়ার সময় ছিল দুপুর ১ টা পর্যন্ত। তারপর কয়েকজন সিডিউল নিয়ে জমা দিতে আসলে আমরা বাঁধা প্রয়োগ করেছি। এতে তারা আমাদের সফিল্লাহ (৩৫) কে মারধর করে।

অপরদিকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হক সরকার ও পৌর বিএনপির সভাপতি নান্নু প্রধান বলেন, প্রশাসনের কারসাজিতে একপক্ষের সিডিউল জমা নেয়া হয়। এই টেন্ডারের বাক্স উপজেলা, থানা ও পৌরসভায় দেয়ার কথা থাকলেও শুধুমাত্র পৌরসভায় টেন্ডার বাক্স রাখা হয়।

তারা আরো বলেন, সিডিউল জমা দিতে বিএনপির যুবদল নেতা আবু সাঈদ গং ও পৌর যুবদলের আহবায়ক উজ্জল ফরাজী গংরা বাঁধা দেয়। এসময় বিএনপি নেতা বদরুজ্জামানের মাথায় রক্তাক্ত জখমসহ কয়েকজনকে আহত করে তারা। দাবী করেন, ছেঙ্গারচর পৌরসভার এই হাট-বাজার ইজারা বাতিল করে, পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হোক।

মতলব উত্তর থানার তদন্ত কর্মকর্তা প্রদীপ মন্ডল জানান, সিডিউল জমা নিয়ে দুপক্ষের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও সেনাবহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এ বিষয়ে কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, একপক্ষ আরেক পক্ষকে বাঁধা দেয়ার বিষয়টি জেনেছি। সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ছিল। নির্দিষ্ট সময়ের ৫ মিনিট আগে তারা এসেছে। এখন সিডিউল জমা দিতে না পারলে তারা ফৌজদারী আইনে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছেঙ্গারচর পৌরসভায় হাট-বাজার ইজারার সাতটি স্থানের বিপরীতে সাতটি সিডিউলই জমা পড়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ছেংগারচর পৌরসভায় টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মারামারি, আহত ৫

আপডেট : ০৯:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মতলব উত্তরের ছেঙ্গারচর পৌরসভায় হাট-বাজার ইজারার টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বুধবার দুপুরে ছেঙ্গারচর পৌরসভায় হাট-বাজারের গরুর বাজার, মাছ বাজার ও ৫ টি সিএনজি স্ট্যান্ড ইজারার সিডিউল জমা দিতে বিএনপির যুবদল নেতা আবু সাঈদ বেপারী ও পৌর যুবদলের আহবায়ক উজ্জল ফরাজী গংরা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নান্নু প্রধান, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বিল্লাল হোসেন ফরাজী, বিএনপি নেতা আমিনুল হক সরকার’ সহ অন্যান্যদের সিডিউল জমা দিতে বাঁধা প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।

মারামারির ঘটনায় উভয়পক্ষের আহতরা হলেন বিএনপি নেতা বদরুজ্জামান (৫৫), সায়েম (২০) ও সফিউল্লাহ (৩৫)সহ ৫ জন।

যুবদল নেতা আবু সাঈদ বেপারী বলেন, সিডিউল জমা দেয়ার সময় ছিল দুপুর ১ টা পর্যন্ত। তারপর কয়েকজন সিডিউল নিয়ে জমা দিতে আসলে আমরা বাঁধা প্রয়োগ করেছি। এতে তারা আমাদের সফিল্লাহ (৩৫) কে মারধর করে।

অপরদিকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হক সরকার ও পৌর বিএনপির সভাপতি নান্নু প্রধান বলেন, প্রশাসনের কারসাজিতে একপক্ষের সিডিউল জমা নেয়া হয়। এই টেন্ডারের বাক্স উপজেলা, থানা ও পৌরসভায় দেয়ার কথা থাকলেও শুধুমাত্র পৌরসভায় টেন্ডার বাক্স রাখা হয়।

তারা আরো বলেন, সিডিউল জমা দিতে বিএনপির যুবদল নেতা আবু সাঈদ গং ও পৌর যুবদলের আহবায়ক উজ্জল ফরাজী গংরা বাঁধা দেয়। এসময় বিএনপি নেতা বদরুজ্জামানের মাথায় রক্তাক্ত জখমসহ কয়েকজনকে আহত করে তারা। দাবী করেন, ছেঙ্গারচর পৌরসভার এই হাট-বাজার ইজারা বাতিল করে, পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হোক।

মতলব উত্তর থানার তদন্ত কর্মকর্তা প্রদীপ মন্ডল জানান, সিডিউল জমা নিয়ে দুপক্ষের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও সেনাবহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এ বিষয়ে কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, একপক্ষ আরেক পক্ষকে বাঁধা দেয়ার বিষয়টি জেনেছি। সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ছিল। নির্দিষ্ট সময়ের ৫ মিনিট আগে তারা এসেছে। এখন সিডিউল জমা দিতে না পারলে তারা ফৌজদারী আইনে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছেঙ্গারচর পৌরসভায় হাট-বাজার ইজারার সাতটি স্থানের বিপরীতে সাতটি সিডিউলই জমা পড়েছে।