ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে উত্তেজনা, ডিজিএমকে অবরুদ্ধ করে কর্মীদের বিক্ষোভ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে গ্রাহকদের হামলায় কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তাহীনতা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. সাইফুল আলমকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
রোববার (২৯ জুন) দুপুরে ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিস প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ২০ থেকে ৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী “এক দফা, এক দাবি—ডিজিএমের অপসারণ চাই” স্লোগানে বিক্ষোভে অংশ নেন। ফলে অফিসজুড়ে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুন অতিরিক্ত লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের উত্তর ধানুয়া গ্রামে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই সময় একদল লোক চির্কা সাবস্টেশন এলাকা থেকে দায়িত্ব পালনরত দুই বিদ্যুৎ কর্মীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু গ্রাহকের সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরোধ চলছিল।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, এমন সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত না করেই অভিযুক্তদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেন ডিজিএম মো. সাইফুল আলম।
এর পরিপ্রেক্ষিতে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর এজিএম নাজির উল্লাহর নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ সদস্যের একটি টিম রোববার সকালে উত্তর ধানুয়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করতে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর গ্রামবাসীর একটি অংশের সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রামবাসীর হামলায় এজিএম নাজির উল্লাহসহ অন্তত ২৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জোনাল অফিসে ফিরে ডিজিএমের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং তাকে নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ বিষয়ে ডিজিএম মো. সাইফুল আলমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
(বিঃদ্রঃ এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য ও স্থানীয় সূত্রের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা হবে।)

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকার অভিযানে হার্ডওয়্যার দোকানের ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে উত্তেজনা, ডিজিএমকে অবরুদ্ধ করে কর্মীদের বিক্ষোভ

আপডেট : ০৮:০১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে গ্রাহকদের হামলায় কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তাহীনতা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. সাইফুল আলমকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
রোববার (২৯ জুন) দুপুরে ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিস প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ২০ থেকে ৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী “এক দফা, এক দাবি—ডিজিএমের অপসারণ চাই” স্লোগানে বিক্ষোভে অংশ নেন। ফলে অফিসজুড়ে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুন অতিরিক্ত লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের উত্তর ধানুয়া গ্রামে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই সময় একদল লোক চির্কা সাবস্টেশন এলাকা থেকে দায়িত্ব পালনরত দুই বিদ্যুৎ কর্মীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু গ্রাহকের সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরোধ চলছিল।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, এমন সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত না করেই অভিযুক্তদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেন ডিজিএম মো. সাইফুল আলম।
এর পরিপ্রেক্ষিতে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর এজিএম নাজির উল্লাহর নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ সদস্যের একটি টিম রোববার সকালে উত্তর ধানুয়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করতে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর গ্রামবাসীর একটি অংশের সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রামবাসীর হামলায় এজিএম নাজির উল্লাহসহ অন্তত ২৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জোনাল অফিসে ফিরে ডিজিএমের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং তাকে নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ বিষয়ে ডিজিএম মো. সাইফুল আলমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
(বিঃদ্রঃ এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য ও স্থানীয় সূত্রের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা হবে।)