নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গড়মাটি গ্রামে দেখা মিলেছে এক বিরল ও হৃদয়স্পর্শী বাস্তবতার। সেখানে ১৩০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মাকে নিজের সাধ্যমতো দেখাশোনা করছেন তারই শতবর্ষী মেয়ে।
বয়সের ভারে ন্যুব্জ দুজনই। চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া ও দৈনন্দিন কাজকর্মে নানা শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একে অপরই তাদের সবচেয়ে বড় ভরসা। শতবর্ষী মেয়েই যত্ন, স্নেহ ও দায়িত্ববোধ নিয়ে মায়ের পাশে রয়েছেন প্রতিটি মুহূর্তে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না। মা-মেয়ের এই গভীর ভালোবাসা, পারস্পরিক নির্ভরতা ও আত্মত্যাগের গল্প মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। বয়সের ভার তাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং পারিবারিক বন্ধনের শক্তিই তাদের বেঁচে থাকার প্রেরণা।
গ্রামবাসীর দাবি, জীবনের শেষ সময়ে এই মা-মেয়ের চিকিৎসা, পুষ্টি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
মা ও মেয়ের এই বিরল জীবনগাঁথা মনে করিয়ে দেয়—রক্তের সম্পর্ক, মমতা আর দায়িত্ববোধের বন্ধন কখনো বয়সের কাছে হার মানে না।
১৩০ বছরের মায়ের শেষ আশ্রয় শতবর্ষী মেয়ে: বড়াইগ্রামে হৃদয়ছোঁয়া এক জীবনসংগ্রামের গল্প
-
নিজস্ব প্রতিবেদক - আপডেট : ০৯:৩৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
- 123
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ




















