ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে বিএমে সেরা হাজীগঞ্জ সরকারি পাইলট জিপিএ-৫’ সেরা আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা

চলতি বছর এইচএসসিতে ফল বিপর্যয় হলেও বিএম ও আলীম পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করেছে। কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিএম পরীক্ষায় উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৪৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪১২ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৭৫.৮৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।

শনিবার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, বিএম পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাস করেছে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৯৪ জন। পাসের হার ৮৯.৫২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৫৫ জন। পাসের হার ৮৪.৬১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। বলাখাল জেএন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কারিগরি কলেজ থেকে ১০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৮৯ জন। পাসের হার ৮১.৬৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল কলেজ থেকে ১৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৪৪ জন। পাসের হার ৭৪.২৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। হাজীগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৩০ জন। পাসের হার ৪২.৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

অপর দিকে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩৭৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৩১০ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮২.০১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। এর মধ্যে ৩টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে।

উপজেলায় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে হাজীগঞ্জ দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১০৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৮৬ জন। পাসের হার ৮৩.৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। নেছারাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলে পাস করে শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে।

এছাড়াও বাকিলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা থেকে ১৮ জন এবং সাদ্রা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে। রাজারগাঁও ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২৭ জন। পাসের হার ৭৭.১৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন।

রামচন্দ্রপুর ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৪ জন। পাসের হার ৮৭.৫০ শতাংশ। সুহিলপুর এবিএস ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৩ জন। পাসের হার ৫৪.১৭ শতাংশ। ছালেহ আবাদ এমএন ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।

বেলচোঁ কারিমাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২৩ জন। পাসের হার ৭৬.৬৭ শতাংশ। নওহাটা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২১ জন। পাসের হার ৭০ শতাংশ। কাপাইকাপ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৯ জন। পাসের হার ৮২.৬০ শতাংশ।

বলাখাল এনএমএন আলিম মাদ্রাসা থেকে থেকে ১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৬ জন। পাসের হার ৮৮.৮৯ শতাংশ। কাকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৬ জন। পাসের হার ৭২.৭৩ শতাংশ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গায় সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন

হাজীগঞ্জে বিএমে সেরা হাজীগঞ্জ সরকারি পাইলট জিপিএ-৫’ সেরা আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা

আপডেট : ০৬:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

চলতি বছর এইচএসসিতে ফল বিপর্যয় হলেও বিএম ও আলীম পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করেছে। কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিএম পরীক্ষায় উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৪৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪১২ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৭৫.৮৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।

শনিবার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, বিএম পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাস করেছে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৯৪ জন। পাসের হার ৮৯.৫২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৫৫ জন। পাসের হার ৮৪.৬১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। বলাখাল জেএন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কারিগরি কলেজ থেকে ১০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৮৯ জন। পাসের হার ৮১.৬৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল কলেজ থেকে ১৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৪৪ জন। পাসের হার ৭৪.২৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। হাজীগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৩০ জন। পাসের হার ৪২.৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

অপর দিকে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩৭৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৩১০ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮২.০১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। এর মধ্যে ৩টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে।

উপজেলায় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে হাজীগঞ্জ দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১০৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৮৬ জন। পাসের হার ৮৩.৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। নেছারাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলে পাস করে শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে।

এছাড়াও বাকিলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা থেকে ১৮ জন এবং সাদ্রা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে। রাজারগাঁও ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২৭ জন। পাসের হার ৭৭.১৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন।

রামচন্দ্রপুর ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৪ জন। পাসের হার ৮৭.৫০ শতাংশ। সুহিলপুর এবিএস ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৩ জন। পাসের হার ৫৪.১৭ শতাংশ। ছালেহ আবাদ এমএন ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।

বেলচোঁ কারিমাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২৩ জন। পাসের হার ৭৬.৬৭ শতাংশ। নওহাটা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২১ জন। পাসের হার ৭০ শতাংশ। কাপাইকাপ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৯ জন। পাসের হার ৮২.৬০ শতাংশ।

বলাখাল এনএমএন আলিম মাদ্রাসা থেকে থেকে ১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৬ জন। পাসের হার ৮৮.৮৯ শতাংশ। কাকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৬ জন। পাসের হার ৭২.৭৩ শতাংশ।