চাঁদপুরের স্বনামধন্য সামাজিক সংগঠন ‘তারুণ্যের অগ্রদূত’-এর যুগপূর্তি উৎসব ও মিলনমেলা দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে।
৬ নভেম্বর (শুক্রবার) হাইমচরের মধ্যচরস্থ সর্দার অতিথিশালায় এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক সংগঠক এবং উপদেষ্টারা অংশগ্রহণ করেন।
২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে তারুণ্যের অগ্রদূত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে চাঁদপুরের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছে।
যুগপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ছিল নৌভ্রমণ, ভোজ ও আড্ডা, খেলাধুলা, পুরস্কার বিতরণ এবং স্মৃতিচারণ। সাবেক ও বর্তমান সংগঠকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আরমান চৌধুরী রবিন, মাহমুদ হাসান খান, চাঁদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক আতিকুর রহমান, মহসীন শরীফ এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অনুকূল চন্দ্র পোদ্দার রন্টি।
এ ছাড়া সংগঠকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ভিভিয়ান ঘোষ, সাবেক সভাপতি রাসেল হোসেন, সহসভাপতি এম কে মুন্না ও মিঠুন চন্দ্র ত্রিপুরা, সাবেক কোষাধ্যক্ষ আতাউর রহমান, আবির রায়, নির্বাহী সদস্য দিগন্ত সাহা দীপ্ত, নবনীতা কর্মকার, সুব্রত দে-সহ অন্যান্য সাবেক ও বর্তমান সংগঠক।
অনুষ্ঠানের স্মৃতিচারণ ও পুরস্কার বিতরণ পর্বে প্রতিষ্ঠাতা ভিভিয়ান ঘোষের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বর্তমান কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ জাহিদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক অংগন চক্রবর্তী, যুগপূর্তি উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ হিমেল হোসাইন এবং সচিব সামান্তা দিদার মারিয়া।
এ সময় সংগঠনের উপদেষ্টাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠনের কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখা সংগঠকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। সেরা সংগঠক হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেন রানা দাস, প্রণয় মণ্ডল, সুমাইয়া দিদার শিমু, মিঠুন চন্দ্র ত্রিপুরা ও সাকিবুল হাসান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপদেষ্টারা তারুণ্যের অগ্রদূতের যুগপূর্তি উপলক্ষে সংগঠনের সব সদস্যকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সংগঠনের ভবিষ্যৎ পথচলায় পাশে থাকা এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দীর্ঘ এক যুগের পথচলায় সংগঠনের অর্জন, স্মৃতি ও পারস্পরিক বন্ধনকে নতুন করে উদযাপনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় তারুণ্যের অগ্রদূতের যুগপূর্তি উৎসব ও মিলনমেলা।



















