ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেলঘরে সংখ্যালগুর পরিবারের সম্পত্তি দখলে নিতে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর ও হামলার চেষ্টা – Rknews71

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১১:৫৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০২২
  • 347

 

খন্দকার আরিফ :
হাজীগঞ্জে এক সংখ্যালগুর সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে নিতে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর ও হামলার চেষ্টার অভিযোগে থানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি গত মঙ্গলবার (২৩ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার ৮নং হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের বেলঘর গ্রামের ঠাকুর বাড়ীতে ঘটেছে।
থানা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই বাড়ির লক্ষ্মণ চক্রবর্তীর পৈত্রিক সম্পত্তি একই বাড়ির জোহর আলীর ছেলে আ. মালেক জোরপূর্বক দখলে নিতে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে। এতে সংখ্যালগুর পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদের উপর হামলার চেষ্টা চালায় মালেক গং। তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মজুমদারকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যসহ কয়েকজনকে ঘটনাস্থলে পাটিয়ে ভাংচুর ও হামলা চেষ্টার সত্যতা নিশ্চিত হন। গত বছরও অভিযুক্তরা এই সংখ্যালগু পরিবারের সম্পত্তি দখল করতে হামলা চালায়। ওই ঘটনায় থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্ত কোন সুরাহ্ হয়নি।
এ ঘটনায় ২ জনকে অভিযুক্ত করে সাবিত্রী চক্রবর্তী বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানা একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন, আ. মালেক ও তার স্ত্রী শাহিদা বেগম।
থানা অভিযোগের আলোকে উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোপীনাথ বুধবার (২৪ আগষ্ট) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ভাংচুর ও হামলার চেষ্টার সত্যাতা পেয়ে থাকেন।
থানা লিখিত অভিযোগের বাদী সাবিত্রী চক্রবর্তী বলেন, আমাদের সম্পত্তি মালেক গং বারংবার দখলের চালাচ্ছে। আমরা তাদের বাধা দিতে গেলে আমাদের উপর হামলা চেষ্টা চালায়। মঙ্গলবারের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।
সম্পত্তি দখল, হামলায় চেষ্টায় ও ভাংচুরের বিষয়ে আ. মালেক সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কেবল মাটি কেটেছি। কোন ধরনের হামলা এবং ভাংচুর করিনি।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মজুমদার বলেন, সংখ্যালগু পরিবারের লোকজন জানানোর পর ইউপি সদস্যসহ কয়েকজনকে পাঠিয়েছি। এটি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হবে।
থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোপীনাথ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি। তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

বেলঘরে সংখ্যালগুর পরিবারের সম্পত্তি দখলে নিতে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর ও হামলার চেষ্টা – Rknews71

আপডেট : ১১:৫৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০২২

 

খন্দকার আরিফ :
হাজীগঞ্জে এক সংখ্যালগুর সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে নিতে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর ও হামলার চেষ্টার অভিযোগে থানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি গত মঙ্গলবার (২৩ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার ৮নং হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের বেলঘর গ্রামের ঠাকুর বাড়ীতে ঘটেছে।
থানা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই বাড়ির লক্ষ্মণ চক্রবর্তীর পৈত্রিক সম্পত্তি একই বাড়ির জোহর আলীর ছেলে আ. মালেক জোরপূর্বক দখলে নিতে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে। এতে সংখ্যালগুর পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদের উপর হামলার চেষ্টা চালায় মালেক গং। তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মজুমদারকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যসহ কয়েকজনকে ঘটনাস্থলে পাটিয়ে ভাংচুর ও হামলা চেষ্টার সত্যতা নিশ্চিত হন। গত বছরও অভিযুক্তরা এই সংখ্যালগু পরিবারের সম্পত্তি দখল করতে হামলা চালায়। ওই ঘটনায় থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্ত কোন সুরাহ্ হয়নি।
এ ঘটনায় ২ জনকে অভিযুক্ত করে সাবিত্রী চক্রবর্তী বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানা একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন, আ. মালেক ও তার স্ত্রী শাহিদা বেগম।
থানা অভিযোগের আলোকে উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোপীনাথ বুধবার (২৪ আগষ্ট) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ভাংচুর ও হামলার চেষ্টার সত্যাতা পেয়ে থাকেন।
থানা লিখিত অভিযোগের বাদী সাবিত্রী চক্রবর্তী বলেন, আমাদের সম্পত্তি মালেক গং বারংবার দখলের চালাচ্ছে। আমরা তাদের বাধা দিতে গেলে আমাদের উপর হামলা চেষ্টা চালায়। মঙ্গলবারের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।
সম্পত্তি দখল, হামলায় চেষ্টায় ও ভাংচুরের বিষয়ে আ. মালেক সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কেবল মাটি কেটেছি। কোন ধরনের হামলা এবং ভাংচুর করিনি।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মজুমদার বলেন, সংখ্যালগু পরিবারের লোকজন জানানোর পর ইউপি সদস্যসহ কয়েকজনকে পাঠিয়েছি। এটি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হবে।
থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোপীনাথ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি। তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।