জসিম উদ্দিন, ফরিদগঞ্জ:
প্রযুক্তি বিকাশের ফলে আমাদের জীবনযাত্রার ধরন পরিবর্তিত হচ্ছে জ্যামিতিক হারে। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলস্বরূপ ই মোবাইল ফোন এসেছে আর্শিবাদ হয়ে। যা আমাদের জীবনকে অনেকাংশে সহজ ও আরামদায়ক করেছে। আজকের দিনে মোবাইল ফোন নেই বা মোবাইল ফোন সম্পর্কে জানেনা এরকম মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে প্রতিটা ক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল ফোন।
এই অত্যাধুনিক ব্যবহারের ফলে আমরা আস্তে আস্তে স্মার্টফোনের দিকে ঝুঁকে পড়ছি স্মার্টফোন ব্যবহার ক্ষেত্রে শিশু-কিশোরদের তুলনায় পিছিয়ে নেই ৮০ উদ্ধ বিদ্ধারাও।
সরজমিনে দৃষ্টিগোচর হয় ২৬ আগস্ট( শুক্রবার) সকালে উপজেলার পাটোয়ারী বাজারের একটি চায়ের দোকানে তিন জন আসিউদ্ধ বয়োজ্যেষ্ঠ বিদ্ধা গভীর মনোযোগ দিয়ে চায়ের দোকানে বসে স্মার্ট ফোনে কয়েকজন মহিলার tiktok ভিডিও দেখছে এবং খুব আনন্দ করছে।
তিনজনের মধ্যে একজনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন এটা দেখলে যদি সমস্যা হয় তাহলে বাজারে আসার সময় চোখে মুখে গামছা পড়ে আসবেন যেন কোন মহিলার দিকে নজর না যায়। অন্য আরেকজন বললেন দেখি মুফতি সাহেবকে জিজ্ঞাসা করব এগুলো দেখা জায়েজ আছে কিনা।
স্মার্ট ফোন আসক্তি আমাদের বাহিক জীবন ভুলে ফোনের জগতে নিমজ্জিত হয়ে থাকা আমাদের জীবনে নানাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত ফোন দ্বারা দখল হওয়া। ফোন অতিরিক্ত ব্যবহারই হল ফোন আসক্তি। আমাদের জীবনের অনেক মুহূর্ত হারিয়ে ফেলেছি ফোন আসক্তির ফলে ।শুধু তাই নয় শারীরিক ও মানসিক নানা প্রতিবন্ধকতার কারণ এই স্মার্ট ফোন আসক্তি সেই জগতের সময় দিতে গিয়ে আমরা আমাদের প্রার্থীবজীবন থেকে ছিটকে পড়ছি। আমাদের চিন্তার জগত আজ ফেসবুক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে।
আমাদের কারো পক্ষেই মোবাইল বাদ দিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। আমি বাদ দিয়ে দিতেও বলছি না। আসক্তি থেকে বাঁচতে মোবাইল বন্ধ করে রাখতেও বলছি না। কেনানা মোবাইলকে আমাদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যমই বলা যায় এখন। মোবাইল বন্ধ রাখলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা, সংবাদ, বিপদের পূর্বাভাস আমাদের নিকট সঠিকভাবে পৌছাবে না। তবে আমরা নিজেদের একটা রুটিনের মধ্যে এনে এর আসক্তি অবশ্যই কমাতে পারি।
চলুন আমরা সবাই নিজেকে স্মার্টফোনের আসক্তি থেকে বের করে নিজেকে মুক্ত বাতাসে তুলে ধরি, খুঁজে বের করি নিজের সুপ্ত প্রতিভা। এই পৃথিবীকে আলোকিত করার ব্রতে ব্রতী হই। নতুনভাবে বাঁচতে শিখি।




















