ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ কর্মকর্তা কর্মচারী দিয়ে চলছে ধুকে ধুকে কার্যক্রম – Rknews71

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১২:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২
  • 91

 

মনিরুল ইসলাম মনির :

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভা গঠনের দুই যুগ পার হলেও জনবলের অভাবে পৌরবাসী নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ছেংগারচর ইউনিয়ন থেকে ১৯৯৮ সালে পৌরসভায় গঠন করা হলেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে একদিকে যেমন কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, মানুষ অন্যদিকে পৌর এলাকার উন্নয়নের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

জানা যায়, পৌরসভা আইন অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির পৌরসভার সাংগঠনিক কাঠামোতে প্রকৌশলী বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ ও স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পানা বিভাগের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৫৫টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু ছেংগারচর পৌরসভা গঠনের ২৪ বছর অতিবাহিত হলেও স্থায়ী ১১ জন কর্মকর্তার, কর্মচারী দিয়ে চালানো হচ্ছে পৌরসভার কার্যক্রম। এরই মধ্য ১৫ জনকে দৈনিক মজুরি হিসেবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পৌর অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভায় সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী প্রকৌশল বিভাগে ৬৮টি পদের বিপরীতে শূন্য পদ আছে ৫২টি, প্রশাসনিক বিভাগে ৫৪টি পদের বিপরীতে শূন্য পদ ৪৯টি এবং স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ৩৩টি পদের ৩৩টি পদই শূন্য।

প্রথম শ্রেণির পৌরসভার নাগরিকরা ১০ থেকে ১২ ধরনের সেবা পাওয়ার কথা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-আবাসিক, শিল্প ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের জন্য পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যাত্রী ছাউনি, সড়ক বাতি, যানবাহনের পার্কিং স্থান ও বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ, শিক্ষা, খেলাধুলা, চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করা এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণ।

কিন্তু কাগজে-কলমে পৌর নাগরিক হলেও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হয়নি পৌরবাসীর। পৌরসভায় রূপান্তরিত হওয়ার পর থেকেই ধুঁকে ধুঁকে চলছে ও পৌরসভার কার্যক্রম। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, এটা কি নামমাত্র প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। যেখানে জাতীয় সনদপত্র, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদপত্র পেতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সেবার পরিবর্তে উপরন্তু বেড়েছে জমি ও বাড়ির কর।

পৌরসভার এলাকায় ডাস্টবিন না থাকায় যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে। ফলে পরিবেশ দূষিত হয়ে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে। পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ আবু সুফিয়ান খান জানান, পৌরসভায় এ পর্যন্ত ১১ জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এতে পৌরসভার উন্নয়নের কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

১১ কর্মকর্তা কর্মচারী দিয়ে চলছে ধুকে ধুকে কার্যক্রম – Rknews71

আপডেট : ১২:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২

 

মনিরুল ইসলাম মনির :

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভা গঠনের দুই যুগ পার হলেও জনবলের অভাবে পৌরবাসী নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ছেংগারচর ইউনিয়ন থেকে ১৯৯৮ সালে পৌরসভায় গঠন করা হলেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে একদিকে যেমন কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, মানুষ অন্যদিকে পৌর এলাকার উন্নয়নের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

জানা যায়, পৌরসভা আইন অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির পৌরসভার সাংগঠনিক কাঠামোতে প্রকৌশলী বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ ও স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পানা বিভাগের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৫৫টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু ছেংগারচর পৌরসভা গঠনের ২৪ বছর অতিবাহিত হলেও স্থায়ী ১১ জন কর্মকর্তার, কর্মচারী দিয়ে চালানো হচ্ছে পৌরসভার কার্যক্রম। এরই মধ্য ১৫ জনকে দৈনিক মজুরি হিসেবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পৌর অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভায় সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী প্রকৌশল বিভাগে ৬৮টি পদের বিপরীতে শূন্য পদ আছে ৫২টি, প্রশাসনিক বিভাগে ৫৪টি পদের বিপরীতে শূন্য পদ ৪৯টি এবং স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ৩৩টি পদের ৩৩টি পদই শূন্য।

প্রথম শ্রেণির পৌরসভার নাগরিকরা ১০ থেকে ১২ ধরনের সেবা পাওয়ার কথা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-আবাসিক, শিল্প ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের জন্য পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যাত্রী ছাউনি, সড়ক বাতি, যানবাহনের পার্কিং স্থান ও বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ, শিক্ষা, খেলাধুলা, চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করা এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণ।

কিন্তু কাগজে-কলমে পৌর নাগরিক হলেও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হয়নি পৌরবাসীর। পৌরসভায় রূপান্তরিত হওয়ার পর থেকেই ধুঁকে ধুঁকে চলছে ও পৌরসভার কার্যক্রম। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, এটা কি নামমাত্র প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। যেখানে জাতীয় সনদপত্র, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদপত্র পেতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সেবার পরিবর্তে উপরন্তু বেড়েছে জমি ও বাড়ির কর।

পৌরসভার এলাকায় ডাস্টবিন না থাকায় যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে। ফলে পরিবেশ দূষিত হয়ে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে। পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ আবু সুফিয়ান খান জানান, পৌরসভায় এ পর্যন্ত ১১ জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এতে পৌরসভার উন্নয়নের কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।