ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় জলাবদ্ধতার কবলে ২হাজার একর ফসলি জমি – Rknews71

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১২:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২
  • 75
আহসান হাবীব সুমন :
কচুয়া উপজেলার ঘুরগার বিলের মাঝ দিয়ে সাচার হতে চান্দিনা উপজেলার কংগাই পর্যন্ত ক্ষিরাই নদীর (ছোট নদী) পাড় দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। অপর দিকে বিলের কচুয়া অংশে প্রায় মাঝামাঝি অবস্থানে ওই ক্ষিরাই নদীর সাথে সংযোগ ছিল রাগদৈল খাল।
কিন্ত সংযোগ স্থলের মুখে মাটি দ্বারা ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করায় এখন আর রাগদৈল খাল দিয়ে ঘুরগার জলার উত্তর পশ্চিম অংশের পানি ক্ষিরাই নদীতে প্রবেশ করতে পারছে না। এতে করে ঘুরগার জলার উত্তর পশ্চিম অংশে প্রায় ২হাজার একর ফসলি জমি জলাবদ্ধতার কবলে। জলাবদ্ধতার কবলে পড়া অংশে চলতি রবি মৌসুমে আলু ,সরিষা, ফুল কপি, বাধা কপি, গাজর, ভুট্টা ইত্যাদি ফসলের আবাদ করা সম্ভব হয়ে উঠবে না বলে কৃষকরা জানান।
কৃষক ও স্থানীয় লোকজনেরা জানায়, প্রায় ২হাজার একর জমি থেকে পানি না নামায় ওই এলাকার কৃষকরা চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ইতি মধ্যে রবি মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে আলু চাষ শুরু হবে। কিন্তু ঘুরগার বিলের রাস্তার অপর অংশের জমির পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা না থাকায় পানি নামতে পারছে না।
স্থানীয় কৃষক দুলাল মিয়া, আলমগীর দুদু মিয়া, শহীদ, বজলুর জানায়- ক্ষিরাই নদীর সাথে সংযুক্ত রাগদৈল খালের মুখে রাস্তা করার দরুন পানি সরতে না পারায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফসলি জমিগুলো অনাবাদি হয়ে পড়ে আছে। এ অবস্থায় রাগদৈল খালের মুখে একটি ব্রীজ নির্মাণ করলে রাগদৈল খালের ঐতিহ্য ফিরে পাবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতার হাত থেকে ২হাজার একর ফসলি জমি আবাদ করা যাবে।
জলবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার সংবাদ পেয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোফায়েল হোসেন সরজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করেন। তিনি জলাবদ্ধতার কারনে চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন- জলাবদ্ধতা নিরসন করতে পারলে স্থানীয় কৃষকরা প্রায় ২ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ করতে সক্ষম হবে। আমি বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। শীঘ্রই এই সমস্যাটি  উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করাবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান বলেন, জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারন অনুসন্ধান করে জলাবদ্ধতা দুরীকরনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

কচুয়ায় জলাবদ্ধতার কবলে ২হাজার একর ফসলি জমি – Rknews71

আপডেট : ১২:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২
আহসান হাবীব সুমন :
কচুয়া উপজেলার ঘুরগার বিলের মাঝ দিয়ে সাচার হতে চান্দিনা উপজেলার কংগাই পর্যন্ত ক্ষিরাই নদীর (ছোট নদী) পাড় দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। অপর দিকে বিলের কচুয়া অংশে প্রায় মাঝামাঝি অবস্থানে ওই ক্ষিরাই নদীর সাথে সংযোগ ছিল রাগদৈল খাল।
কিন্ত সংযোগ স্থলের মুখে মাটি দ্বারা ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করায় এখন আর রাগদৈল খাল দিয়ে ঘুরগার জলার উত্তর পশ্চিম অংশের পানি ক্ষিরাই নদীতে প্রবেশ করতে পারছে না। এতে করে ঘুরগার জলার উত্তর পশ্চিম অংশে প্রায় ২হাজার একর ফসলি জমি জলাবদ্ধতার কবলে। জলাবদ্ধতার কবলে পড়া অংশে চলতি রবি মৌসুমে আলু ,সরিষা, ফুল কপি, বাধা কপি, গাজর, ভুট্টা ইত্যাদি ফসলের আবাদ করা সম্ভব হয়ে উঠবে না বলে কৃষকরা জানান।
কৃষক ও স্থানীয় লোকজনেরা জানায়, প্রায় ২হাজার একর জমি থেকে পানি না নামায় ওই এলাকার কৃষকরা চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ইতি মধ্যে রবি মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে আলু চাষ শুরু হবে। কিন্তু ঘুরগার বিলের রাস্তার অপর অংশের জমির পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা না থাকায় পানি নামতে পারছে না।
স্থানীয় কৃষক দুলাল মিয়া, আলমগীর দুদু মিয়া, শহীদ, বজলুর জানায়- ক্ষিরাই নদীর সাথে সংযুক্ত রাগদৈল খালের মুখে রাস্তা করার দরুন পানি সরতে না পারায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফসলি জমিগুলো অনাবাদি হয়ে পড়ে আছে। এ অবস্থায় রাগদৈল খালের মুখে একটি ব্রীজ নির্মাণ করলে রাগদৈল খালের ঐতিহ্য ফিরে পাবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতার হাত থেকে ২হাজার একর ফসলি জমি আবাদ করা যাবে।
জলবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার সংবাদ পেয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোফায়েল হোসেন সরজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করেন। তিনি জলাবদ্ধতার কারনে চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন- জলাবদ্ধতা নিরসন করতে পারলে স্থানীয় কৃষকরা প্রায় ২ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ করতে সক্ষম হবে। আমি বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। শীঘ্রই এই সমস্যাটি  উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করাবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান বলেন, জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারন অনুসন্ধান করে জলাবদ্ধতা দুরীকরনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।