আহসান হাবীব সুমন:
স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও যাতায়াতের জন্য একটি রাস্তা জোটেনি , কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম কাঠালিয়া বাসীদের। কচুয়া ও মতলব দক্ষিনের সীমান্তবর্তীতে এ কাঠালিয়া গ্রামের অবস্থান। এ গ্রামে প্রায় ১ হাজার ২শত লোকের বাস। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মৎস্যজীবী ও কৃষি শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। এ গ্রামের লোকজনদেরকে পূর্বপাশের আলিয়ারা-নন্দনপুর সড়কে উঠে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু গ্রামটিতে যাতায়াতের জন্য রাস্তা না থাকার কারনে লোকজনরা সহজ ভাবে আলীয়ারা-নন্দনপুর রাস্তায় উঠে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে পারছে না। বর্ষাকালে নৌকায় অথবা হাটুপানি অথবা কর্দমাক্ত আইল ধরে ওই রাস্তায় উঠতে হয়। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে ও রোগীদের হাসপাতালে আনা-নেওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, অনেক বছর ধরে ওই গ্রামে রাস্তা নেই। রাস্তা নির্মাণে জমির মাালিকানা নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে। যার ফলে রাস্তা নির্মান বিলম্বিত হচ্ছে। তবে মতলব ও কচুয়ার জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে দ্রæত রাস্তাটি নির্মানে চেষ্টা চলছে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল আলিম লিটন বলেন, কাঠালিয়া গ্রামের রাস্তাটি দ্রæতি নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শাহাজাহান শিশির বলেন, কাঠলিয়া গ্রামের মানুষ অনেক কষ্টে যাতায়াত করে থাকে। এ গ্রামের অধিবাসীদের দুর্ভোগ নিরসনের লক্ষ্যে রাস্তা নির্মাণ করার জন্য জোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।




















