হাইমচর প্রতিনিধিঃ
চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল করিম হাওলাদারের পারিবারিক ইতিহাস জেনে আবেগে নয়, বিবেকের তাড়নায় তাকে আনারস মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি তার জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেছেন। পিতা মরহুম শাহজাহান হাওলাদার দীর্ঘদিন আপনাদের সুখ-দুঃখের সাথী হিসাবে চরভৈরবী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে কঠোর পরিশ্রম একাগ্রচিত্তে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। ভাগ্যর নির্মম পরিহাসে ১৯৬৭ সালের ২২শে নভেম্বর কুমিল্লা জেলা পরিষদের একটি সভায় (যে সভার আলোচ্য বিষয় ছিলো চাঁদপুর পুরান বাজার থেকে হায়দারগন্জ পর্যন্ত রাস্তা পাকা, বিদ্যুৎ সংযোগ ও অন্যান উন্নয়নমূলক কাজ সংক্রান্ত) যোগদানের উদ্দেশ্য রওনা হলে পথে কুমিল্লা বাগমারার (ময়নামতি পাহাড় সংলগ্ন) নিকট এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন।
শিক্ষা খাতঃ ক্রমবর্ধমান বেকার সমস্যা সমাধানের লক্ষ্য আমার সার্বিক চেষ্টায় বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনক্রমে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইউনিয়নে ২টি হাইস্কুল যথাক্রমে এস,এস,সি ভোকেশনাল শিক্ষাকার্যক্রম চালু করা হয়।
১। চরভৈরবী উচ্চ বিদ্যালয় ২। এম,জে,এস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসাসহ ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধর্মীয় উপাসনালয়, সেটেলাইট বিদ্যালয় ও স্বাক্ষরতা অভিযান বয়স্ক শিক্ষাকার্যক্রম ইউনিয়ন ব্যাপী চালু করা হয়।
স্বাস্থ্য খাতঃ চরভৈরবী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দৌড়গোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ৫টি আধুনিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তৈরি করা হয়। যার ফলে জনগণ ৩০ বছরের জরাজীর্ণ অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা পায়।
১। চরভৈরবী বাজার কমিউনিটি ক্লিনিক, ২। হাইমচর বাজার কমিউনিটি ক্লিনিক, ৩। খলিফা কান্দী ক্লিনিক, ৪। পাড়াবগুলা কমিউনিটি ক্লিনিক, ৫। বাবুর চর কমিউনিটি ক্লিনিক।
সেচ খাতে অবদানঃ ১. খলিফা কান্দি শফিউদ্দিন সর্দার ইরি স্কিম ৫০০ ফুট লম্বা ড্রেন তৈরি করা। ২. দক্ষিণ বগুলা আঃ লতিফ গাজী ইরি স্কিম ২০০ ফুট লম্বা ড্রেন। ৩. পূর্ব তাজখার মাহাম্মদ সরকারের ১৫০ ফুট লম্বা ড্রেন তৈরি করা হয়েছে। যাহা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
ভৌত খাতঃ চরভৈরবী বাজারে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে ৪টি, হাইমচর বাজার ১টি সহ মোট ৮টি গণশৌচাগার বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
হাটবাজার উন্নয়নে (চরভৈরবী বাজার), ১. মাছ ঘর নির্মাণ। ২. বাজারের পানি সরানোর জন্য ব্লক কালভার্ট নির্মান৷ ৩. বাজারের উভয় গলিতে ইটের সলিং বসানো হয়। ৪. পাকা ড্রেন তৈরি। ৫. গরুর বাজারের মাটি ভরাট করা হয়। ৬. পানির সুবিধার্থে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়।
যোগাযোগ খাতেঃ আমার সার্বিক প্রচেষ্টার কারনে হাইমচর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগ খাতে সবচেয়ে গুরুত্ব পায়। নানান প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও মাটির কাজের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন সাধন করে আসছি।
সড়ক পাকা করনঃ হায়দারগন্জ বর্ডার ব্রিজ হতে শহর আলীর মোড় পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করন এবং চলতি অর্থবছরে আমাদের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে মাননীয় সংসদ সদস্য সহযোগিতায় অতিদ্রুত বাস্তবায়ন হচ্ছে চরভৈরবী থেকে হাইমচর সদর উপজেলা রাস্তা পাকা করন।
চরভৈরবীর বিভিন্ন স্থানে পাকা ব্রিজ নির্মান করা হয় ১৬ টি পূর্ণ নির্মাণ এবং পানি নিষ্কাসনে ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় আর, সি, সি পাইপ বসানো হয়।
কাঠের পুল নির্মানঃ মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে যেসব জায়গায় ইতিমধ্যে ব্রিজ করা সম্ভব হয় না, সে সব স্থানে জনগণের স্বার্থে কাঠেররপুল এবং বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়।তারই ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য তিনি এবার চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন, তিনি বলেন ইউনিয়ন বাসীর সকলের দোয়া ও ভোট চাই এলাকার উন্নয়নের জন্য।





















