চাঁদপুর শহরের লেক থেকে তুহিন (১৫) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবার বলছে, এটি পরিকল্পিত হত্যা হলেও বন্ধুদের ভাষ্য অনুযায়ী এটি ছিল সাঁতার প্রতিযোগিতার সময় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা।
শনিবার (১২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে তুহিন তার কয়েক বন্ধুর সঙ্গে শহরের লেকে সাঁতার কাটতে গেলে নিখোঁজ হয়। পরে বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তুহিন চাঁদপুর শহরের মমিন পাড়া এলাকার বাসিন্দা। সে সদ্য এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল।
তুহিনের বাবা রমজান আলী অভিযোগ করে বলেন, “আমার ছেলে খুব ভালো স্বভাবের ছিল। তার কোনো শত্রু ছিল না। আমরা মনে করি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে বিচার চাই।”
তবে তুহিনের বন্ধুরা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছে, তারা লেকে সাঁতার কাটার জন্য ৫০০ টাকা বাজিতে অংশ নেয়। সেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু দত্ত বলেন, “লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই বোঝা যাবে, এটি হত্যা নাকি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু।”
তিনি আরও জানান, “ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহে ছয় বন্ধুকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত এখনই বলা যাচ্ছে না।”
ঘটনাটি তদন্তাধীন থাকলেও শহরজুড়ে উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। তুহিনের পরিবার ও এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন।




















