ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকাতিয়া নদীর তীরে জমিদখল নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা, উভয় পক্ষকে পুলিশের তলব – Rknews71

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ডাকাতিয়া নদীর তীরে জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রে এনে পুলিশ দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠকের আহবান জানায়। ঘটনাটি ঘটে গত ৪ জুন হাজীগঞ্জ উপজেলার ডাকাতিয়া নদীর তীরবর্তী নোয়াদ্দা স-মিল সংলগ্ন এলাকায়।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানায় বড়কূল পূর্ব ইউনিয়নের রায়চোঁ মৃত মরন মিজির ছেলে শফিকুর রহমান বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এতে প্রতিপক্ষরা হলেন, বড়কূল পূর্ব ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন, একই গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, মৃত দাইমুদ্দিনের ছেলে আলী আহমেদ ও রান্ধুনীমুড়া এলাকার মৃত আ. সালামের ছেলে মঞ্জু মুন্সী।
ঘটনার দিন শফিকুর রহমান তার খরিদকৃত বিএস ৮২ নং ডাকাতিয়াচর মৌজা সি এস ৭০, বিএস চুড়ান্ত ৯৬ নং খতিয়ান ভুক্ত ১০ শতক জায়গার উপর ঘর নিমার্ণ করতে গেলে উপরিক্ত আনু মিয়া গং হামলা চালায়। এতে শফিকুর রহমান যখমপ্রাপ্ত হয় এবং তার ঘর নির্মানের ব্যাপক মালামাল ভাংচুর করা হয়। এর পর পরই প্রতিপক্ষের লোকজন জোরপূর্বক দেওয়াল নির্মানের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠে। দুই পক্ষের লিখিত অভিযোগেরর পর পরই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানতে পারে উক্ত জায়গার উপর চাঁদপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজীগঞ্জ থানার এস আই মাসুদ মুন্সী বলেন, আমি এক পক্ষের ও আরো একজন এসআই অপর পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করি। পরে উভয় পক্ষকে আগামি ১৩ জুন বৈঠকের জন্য আহবান জানাই।

প্রথম পক্ষ সফিকুর রহমান দাবি করে বলেন, আমি ২০১০ সালে মৃত কপিল উদ্দিন মজুমদারের ছেলে তাজুল ইসলামের নিযুক্তীয় আমমোক্তার নামা শাহআলমেরর কাছ থেকে ২০১৮ সালে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি। সেই জমিতে ঘর নির্মান করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে মারধর করে ঘরের মালামাল ভাংচুর ও লুটতারাজ চালায়।

প্রতিপক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি নিত্যনন্দ পোদ্দার নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমি খরিদ করে ভরাটের পর বিক্রি করেছি। তারা আমার ভরাটকৃত জায়গা ঘর নির্মানের চেষ্টা করলে বাধাঁ দেই। তবে বিষয়টি নিয়ে থানায় আমাদের উভয় পক্ষকে বৈঠকের জন্য ডেকেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মতলব উত্তরে পুকুরে ডু’বে ৫ বছরের শিশুর মৃ’ত্যু

ডাকাতিয়া নদীর তীরে জমিদখল নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা, উভয় পক্ষকে পুলিশের তলব – Rknews71

আপডেট : ০২:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুন ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ডাকাতিয়া নদীর তীরে জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রে এনে পুলিশ দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠকের আহবান জানায়। ঘটনাটি ঘটে গত ৪ জুন হাজীগঞ্জ উপজেলার ডাকাতিয়া নদীর তীরবর্তী নোয়াদ্দা স-মিল সংলগ্ন এলাকায়।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানায় বড়কূল পূর্ব ইউনিয়নের রায়চোঁ মৃত মরন মিজির ছেলে শফিকুর রহমান বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এতে প্রতিপক্ষরা হলেন, বড়কূল পূর্ব ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন, একই গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, মৃত দাইমুদ্দিনের ছেলে আলী আহমেদ ও রান্ধুনীমুড়া এলাকার মৃত আ. সালামের ছেলে মঞ্জু মুন্সী।
ঘটনার দিন শফিকুর রহমান তার খরিদকৃত বিএস ৮২ নং ডাকাতিয়াচর মৌজা সি এস ৭০, বিএস চুড়ান্ত ৯৬ নং খতিয়ান ভুক্ত ১০ শতক জায়গার উপর ঘর নিমার্ণ করতে গেলে উপরিক্ত আনু মিয়া গং হামলা চালায়। এতে শফিকুর রহমান যখমপ্রাপ্ত হয় এবং তার ঘর নির্মানের ব্যাপক মালামাল ভাংচুর করা হয়। এর পর পরই প্রতিপক্ষের লোকজন জোরপূর্বক দেওয়াল নির্মানের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠে। দুই পক্ষের লিখিত অভিযোগেরর পর পরই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানতে পারে উক্ত জায়গার উপর চাঁদপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজীগঞ্জ থানার এস আই মাসুদ মুন্সী বলেন, আমি এক পক্ষের ও আরো একজন এসআই অপর পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করি। পরে উভয় পক্ষকে আগামি ১৩ জুন বৈঠকের জন্য আহবান জানাই।

প্রথম পক্ষ সফিকুর রহমান দাবি করে বলেন, আমি ২০১০ সালে মৃত কপিল উদ্দিন মজুমদারের ছেলে তাজুল ইসলামের নিযুক্তীয় আমমোক্তার নামা শাহআলমেরর কাছ থেকে ২০১৮ সালে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি। সেই জমিতে ঘর নির্মান করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে মারধর করে ঘরের মালামাল ভাংচুর ও লুটতারাজ চালায়।

প্রতিপক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি নিত্যনন্দ পোদ্দার নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমি খরিদ করে ভরাটের পর বিক্রি করেছি। তারা আমার ভরাটকৃত জায়গা ঘর নির্মানের চেষ্টা করলে বাধাঁ দেই। তবে বিষয়টি নিয়ে থানায় আমাদের উভয় পক্ষকে বৈঠকের জন্য ডেকেছে।