হাজীগঞ্জ-কুচুয়া-গৌরীপুর সড়ক দিয়ে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ,লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ এবং নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের যাতায়াতকারী প্রায় ২০ লাখ যাত্রীকে কারা জিম্মি করলো?
হাজীগঞ্জ-কচুয়া সড়কে চলাচলকারী আল-আরাফাহ, সুরমা সুপারসহ ঢাকাগামী অন্যান্য পরিবহনগুলো কার, কাদের অবৈধ ক্ষমতার জোরে, কোন হীন স্বার্থে এবং কোন ষড়যন্ত্র চলাচল বন্ধ রাখা হলো?
এই সড়ক পথে ঢাকাগামী প্রায় ২০ লাখ যাত্রীকে প্রায় একমাস জিম্মি করে রাখা হলেও প্রশাসন কেন, কার স্বার্থে চুপ রইলো? জনদুর্ভোগ লাগবে প্রাশাসন, জনপ্রতিনিধিরা কোন রহস্যজনক কারণে একেবারে কুম্ভকর্ণের মতো কেন ঘুমের গোরে রইলো, এসব প্রশ্নের সমাধান কি? কেউ কেউ বলছেন,হাজীগঞ্জ-কচুয়া অংশের মাত্র ১৩ কিলোমিটার অংশের রুট পারমিট জটিলতার কারণে হাজীগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সুরমা পরিবহনের চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
আর ঢাকাগামী রামগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা আল-আরাফা এক্সপ্রেস ও আল-আরাফা স্পেশাল পরিবহনের সরাসরি হাজীগঞ্জ-কচুয়া-গৌরীপুর সড়কের রুট পারমিট নাই।
তাহলে প্রশ্ন হলো বিগত দিনগুলোতে কিভাবে দিনের পর দিন এই সড়কে এসব পরিবহন চলাচল করলো? তখন কারা, কোন ক্ষমতাবলে, কোন স্বার্থের বিনিময়ে পরিবহনগুলো চলাচলের সুযোগ করে দিলো?
আর এখন আবার কারা, কার স্বার্থে, কাদের ষড়যন্ত্রে ২০ লাখ যাত্রীকে জিম্মি করে এই পরিবহনগুলোর চলাচল বন্ধ করে দিলো?
আমরা চাই চাঁদপুর জেলা প্রশাসন, সড়ক কর্তৃপক্ষ,পরিবহন সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষ এবং হাজীগঞ্জ,কচুয়া ও দাউদকান্দি অঞ্চলের মাননীয় সংসদ সদস্যগণ বিষয়টি দ্রুত সমাধান করে ২০ লাখ যাত্রীকে জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দিবেন। নতুন সরকার ও মাননীয় এমপি মহোদয়গণ নিজেদের এবং সরকারের ভাবমুর্তিরক্ষায় ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দিবেন, সেই প্রত্যাশা করছি।
হাজীগঞ্জ-গৌরীপুর সড়কে পরিবহন চলাচলের সংকট দ্রুত দূর করা না হলে যাত্রী ক্ষোভ বৃদ্ধি এবং বৃহত্তর আন্দোলনের আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।




















