ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলব-গজারিয়া ব্রিজ এখন সময়ের দাবি, মতলবে চাই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

মতলব ঢাকার অতি নিকটবর্তী। মতলব-গজারিয়া ব্রিজটি হলে, আমরা ঢাকাতে মাত্র দেড় ঘণ্টায় যেতে পারি। আমাদের এক নম্বর দাবি মতলব-গজারিয়ার ব্রিজ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানমের উপস্থিতিতেই এমন জোরালো দাবি তুলে ধরে চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেছেন, মতলবকে ঘিরে নতুন অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তুলতে এখনই প্রয়োজন সেতু, টেকসই বেড়িবাঁধ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বক্তব্যের শুরুতেই আবেগঘন কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন বলেন, আমরা ধন্য, চাঁদপুরের মাটিতে উনাকে পেয়ে আমরা ধন্য। আমরা কৃতজ্ঞ উনার কাছে।
তিনি মতলববাসীর দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরে বলেন, গজারিয়া-মতলব ব্রিজ বাস্তবায়ন হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে মতলবের যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এতে শুধু যাতায়াত সহজ হবে না, ঢাকা-চট্টগ্রামের বিকল্প মহাসড়ক হিসেবেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, এই ব্রিজ ও মহাসড়ক দেশের মানুষের জন্য, অর্থনীতির জন্য এবং দেশের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।
এসময় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনেন তিনি। বেড়িবাঁধকে টেকসই ও চার লেনে উন্নীত করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ পানি নিষ্কাশনের আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সংসদ সদস্য।
কৃষিপ্রধান মতলবে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিও জানান ড. জালাল উদ্দিন। তিনি বলেন, মতলব কৃষি, মৎস্য ও খামারনির্ভর অঞ্চল হওয়ায় এখানে কৃষি গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে পুরো অঞ্চল শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন মাত্রা পাবে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী, ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে পুরো কলেজ মাঠ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে নিরলসভাবে ২৭ বছর কর্মজীবনে হিসাবরক্ষক জামাল উদ্দিন ভূঞা

মতলব-গজারিয়া ব্রিজ এখন সময়ের দাবি, মতলবে চাই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট : ০১:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
মতলব ঢাকার অতি নিকটবর্তী। মতলব-গজারিয়া ব্রিজটি হলে, আমরা ঢাকাতে মাত্র দেড় ঘণ্টায় যেতে পারি। আমাদের এক নম্বর দাবি মতলব-গজারিয়ার ব্রিজ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানমের উপস্থিতিতেই এমন জোরালো দাবি তুলে ধরে চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেছেন, মতলবকে ঘিরে নতুন অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তুলতে এখনই প্রয়োজন সেতু, টেকসই বেড়িবাঁধ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বক্তব্যের শুরুতেই আবেগঘন কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন বলেন, আমরা ধন্য, চাঁদপুরের মাটিতে উনাকে পেয়ে আমরা ধন্য। আমরা কৃতজ্ঞ উনার কাছে।
তিনি মতলববাসীর দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরে বলেন, গজারিয়া-মতলব ব্রিজ বাস্তবায়ন হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে মতলবের যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এতে শুধু যাতায়াত সহজ হবে না, ঢাকা-চট্টগ্রামের বিকল্প মহাসড়ক হিসেবেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, এই ব্রিজ ও মহাসড়ক দেশের মানুষের জন্য, অর্থনীতির জন্য এবং দেশের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।
এসময় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনেন তিনি। বেড়িবাঁধকে টেকসই ও চার লেনে উন্নীত করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ পানি নিষ্কাশনের আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সংসদ সদস্য।
কৃষিপ্রধান মতলবে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিও জানান ড. জালাল উদ্দিন। তিনি বলেন, মতলব কৃষি, মৎস্য ও খামারনির্ভর অঞ্চল হওয়ায় এখানে কৃষি গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে পুরো অঞ্চল শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন মাত্রা পাবে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী, ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে পুরো কলেজ মাঠ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।