ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মকিমাবাদ সরদার বাড়ির জিলানীর মৃ*ত্যু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মকিমাবাদ সরদার বাড়ির পরিচিত মুখ, সবার প্রিয় মোহাম্মদ জিলানী খান (বতু) আর নেই। হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪৯ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তাঁর অকাল প্রয়াণে পরিবার, স্বজন এবং পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১০টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা দ্রুত তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানেন।
মৃত্যুকালে তিনি বৃদ্ধা মা, এক সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তাঁর চলে যাওয়ায় পরিবারের পাশাপাশি এলাকাবাসীও গভীর শোকে মুহ্যমান।
বাদ আসর হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ মাঠে প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, এরপর মকিমাবাদ সরদার বাড়ি জামে মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
মোহাম্মদ জিলানী খানের মৃত্যুতে এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেন, তিনি ছিলেন একজন শান্ত, ভদ্র ও সবার প্রিয় মানুষ। তাঁর অকাল বিদায়ে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময় 

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মকিমাবাদ সরদার বাড়ির জিলানীর মৃ*ত্যু

আপডেট : ০৬:২৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মকিমাবাদ সরদার বাড়ির পরিচিত মুখ, সবার প্রিয় মোহাম্মদ জিলানী খান (বতু) আর নেই। হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪৯ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তাঁর অকাল প্রয়াণে পরিবার, স্বজন এবং পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১০টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা দ্রুত তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানেন।
মৃত্যুকালে তিনি বৃদ্ধা মা, এক সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তাঁর চলে যাওয়ায় পরিবারের পাশাপাশি এলাকাবাসীও গভীর শোকে মুহ্যমান।
বাদ আসর হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ মাঠে প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, এরপর মকিমাবাদ সরদার বাড়ি জামে মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
মোহাম্মদ জিলানী খানের মৃত্যুতে এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেন, তিনি ছিলেন একজন শান্ত, ভদ্র ও সবার প্রিয় মানুষ। তাঁর অকাল বিদায়ে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।