হাজীগঞ্জের হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের কাঁঠালিতে অবস্থিত শামসুল হক একাডেমি’সহ কয়েকটি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটছে। গত কয়েক মাস ধরে সেখানে লাগাতার চুরি হলেও ধরা পড়ছেনা চোর। চোরের দল শামসুল হক একাডেমি স্কুলের প্রায় ৫০/৬০ হাজার টাকা মূল্যের বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নিয়ে যায়।
এ ছাড়াও পাশ্ববর্তী হাবিবুর রহমানের স-মিলে রাতের অন্ধকারে কয়েকবার তার কেটে নিয়ে যায়। যার মূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা। চোরের দাল কাঁঠালি বাজারে রোকনুজ্জমানের স্টেশনারী দোকানের তালা ভেঙ্গে প্রায় ৩০/৪০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
শামসুল হক একাডেমির অধ্যক্ষ মো. আকতার হোসেন জানান, কয়েকবার আমাদের বিদ্যালয়ে চুরি হয়েছে। শনিবার রাতের অন্ধকারে আমার শিক্ষপ্রতিষ্ঠানের সবগুলো তার কেটে নিয়ে যায় চোরের দল। যার মূল্য প্রায় ৫০/৬০ হাজার টাকা হবে।
স-মিলের মালিক হাবিবুর রহমান জানান, আমার স-মিলেও কয়েকবার চুরি হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় লাখ টাকার তার চুরি হয়েছে। গত রবিবার রাতে প্রায় ৮০ হাজার টাকার তার কেটে নিয়ে যায়।
স্টেশনারী দোকানের রোকনুজ্জামান তার দোকানের তালা ভেঙ্গে প্রায় ৩০/৪০ হাজার টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।
অধ্যক্ষ মো. আকতার হোসেন বলেন, আগে রাতে প্রায় এখানে পুলিশের গাড়ী দেখা যেতো, কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে পুলিশের গাড়ী দেখা যায়না। তাই বেড়েছে চুরি। পুলিশের কিলো ডিউটির গাড়ী যেনো রেগুলার রাতে এদিকে ডিউটি দেই সেই দাবী জানান তিনি।
একই দাবী জানান, স-মিলের হাবিব, ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, দুলাল মৃধা, সুফিয়ান তপদার, মাসুদসহ স্থানীয় ও এলাকাবাসী। তাদের দাবী হলো, যেনো প্রতিরাতে কাঠালি এলাকায় পুলিশের কিলো ডিউটি থাকে। তাহলে চোরের উপদ্রব ও কিশোরগ্যাংয়ের উৎপাত কমবে।
হাজীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব শর্মা জানান, মাদক, চুরি ও ছিনতাই রোধে কিশোরগ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ অব্যাহত আছে। প্রতি রাতেই হাজীগঞ্জ-কচুয়া সড়কে পুলিশের টহল চলমান আছে। চুরি-ছিনতাই রোধে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।












