ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধ:
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭ নং পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের রিকশাচালক রুহুল আমিনের ছেলে মানসিক প্রতিবন্ধী ফারুককে বেদমভাবে মারধর করেছে পার্শ্ববর্তী ২ নং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের আফির উদ্দিন কবিরাজ বাড়ির সিরাজ ও তার দুই ছেলে আহসান ও রিপন।
সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়, কামালপুর গ্রামের ফারুক বিগত পাঁচ বছর পূর্বে বালিথুবা গ্রামের সিরাজের মেয়ে স্বপ্নাকে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ করে ফারুকের অসুস্থতার সুযোগ পেয়ে তার স্ত্রী বিগত দুই বছর পূর্বে তাকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ফারুক স্ত্রীর টানে মাঝে মাঝে ওই বাড়িতে যায় এবং তাদেরকে তারস্ত্রীকে দেওয়ার জন্য চিৎকার চেঁচামেচি করে। পূর্বের ন্যায় ১৯ শে সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ফারুক তাদের বাড়িতে গেলে সিরাজ (৬০)তার স্ত্রী হোসনেয়ারা( ৫০ )ও দুই ছেলে আহসান ও রিপন রড এবং কাঠ দিয়ে তাকে বেদম ভাবে পিটিয়ে তার বাম হাত ভেঙ্গে দেয় এবং দুই পায়ের হাড়ে আঘাত করে তাদের বাড়ির সামনে সরকারি রাস্তা উপর ফেলে রাখে।
পথিক লোকজন তার এই অবস্থা দেখে তাকে কামালপুর তাদের বাড়িতে নিয়ে যায় তার অবস্থার ব্যগতি দেখে তার বাবা রুহুল আমিন তাকে প্রথমে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে বর্তমানে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।
এ ব্যাপারে মানসিক প্রতিবন্ধী ফারুক বলেন আমাকে চান্দ্রাবাজার থেকে একজন অটো রিক্সাচাল গাড়িতে নেয় সে কৃষ্ণপুর রাস্তার মাথায় এনে আমাকে নামিয়ে দেয় ।রাস্তা থেকে তারা আমাকে জোরপূর্বক বাড়ীতে ধরে নিয়ে যায় আমার মুখে কাপড় বেঁধে চারজনে মিলে মারধর করে আমার হাত ভেঙ্গে দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পিটিয়ে রক্তাক্ত জখন করে থাকে।
এ ব্যাপারে আপিল উদ্দিন কবিরাজ বাড়ির সিরাজের স্ত্রী হোসনেয়ারা বলেন ফারুক আমাদের বাড়িতে এসে আমার ঘর দরজা ভেঙ্গে ফেলে এবং আমাকে মারধর করে বারবার তাদের পরিবার এবং ওই ইউনিয়নের মেম্বার চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করেও কোন ফল পাই নাই ঐদিন ও সে এসেছে তাকে ছোয়াড় তাপ্পর মেরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তাকে বেদম ভাবে কোন মারধর করা হয়নি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বালীথুবা গ্রামের অনেকে বলেন সোমবার রাত্রে ফারুক ছেলেটাকে মারাত্মকভাবে মারধর করা হয়েছে তার অবস্থা ব্যগতিক দেখে আমরা তাকে অটো রিক্সা যুগে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
এ ব্যাপারে ফারুকের বাবা নিরীহ রুহুল আমিন বলেন তারা আমার ছেলেকে হাত-পা ভেঙ্গে দিয়েছে আমি এখন তার চিকিৎসা চালাইতেছি এবং জনপ্রতিনিধি ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি আমি নিরীহ মানুষ উনারা যেন আমার এই বিচারটুকু করেন দেন। থানা বা কোটকাচারীতে মামলা করার মত সামর্থ্য আমার নেই।




















