ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিধবা কাজল রানীর ঘর ভেঙে পড়ার আশঙ্কা, মানবেতর জীবনযাপন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৭:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • 38

oplus_0

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের ঘড়িহানা গ্রামের বিধবা কাজল রানী চক্রবর্তী বসবাস করছেন ঝুঁকিপূর্ণ একটি জরাজীর্ণ ঘরে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় যে কোনো সময় ঘরটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টিনের চাল মরিচে ধরে বেশ কয়েকটি জায়গায় ছিদ্র হয়ে গেছে। চালের নিচে পলিথিন টাঙিয়ে পানি ঠেকানোর চেষ্টা করছেন কাজল রানী। বৃষ্টির সময় ঘরের ভেতরে ছোট ছোট পাত্রে পানি জমে। এমন দুরবস্থার মধ্যেই চলছে তাঁর জীবন। টিনের বেড়া, কাঠের দরজা, জানালাও নড়বড়ে। যেকোনো সময় ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
কাজল রানী চক্রবর্তী বলেন, ‘বৃষ্টির সময় ঘরের ভেতরে পানি পড়ে। চালের নিচে পলিথিন দিয়েছি, কিন্তু তাও কাজ হয় না। পাত্র পেতে পানি ধরি, তাতেও সামাল দেওয়া যায় না।’
২০২১ সালে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্বামী নারায়ণ চন্দ্র চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়। একমাত্র ছেলে নেপাল চন্দ্র চক্রবর্তী মানসিক প্রতিবন্ধী। পরিবারের উপার্জনের একমাত্র ভরসা পুত্রবধূ, যিনি স্থানীয় অনুষ্ঠানে রান্নার কাজ করে যা আয় করেন, তা দিয়েই কোনোমতে চলে সংসার। কাজল রানীর একমাত্র ভাতার কার্ডটিও বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ‘আমি খুব কষ্টে আছি। ঘরটা যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। সরকারের কাছে এবং সমাজের বিত্তবানদের কাছে একটা ঘর করে দেওয়ার অনুরোধ জানাই।’
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সরকারি সহায়তা দিয়ে কাজল রানীর নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হোক।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় অটো থেকে পড়ে নারীর মৃ”ত্যু

বিধবা কাজল রানীর ঘর ভেঙে পড়ার আশঙ্কা, মানবেতর জীবনযাপন

আপডেট : ০৭:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের ঘড়িহানা গ্রামের বিধবা কাজল রানী চক্রবর্তী বসবাস করছেন ঝুঁকিপূর্ণ একটি জরাজীর্ণ ঘরে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় যে কোনো সময় ঘরটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টিনের চাল মরিচে ধরে বেশ কয়েকটি জায়গায় ছিদ্র হয়ে গেছে। চালের নিচে পলিথিন টাঙিয়ে পানি ঠেকানোর চেষ্টা করছেন কাজল রানী। বৃষ্টির সময় ঘরের ভেতরে ছোট ছোট পাত্রে পানি জমে। এমন দুরবস্থার মধ্যেই চলছে তাঁর জীবন। টিনের বেড়া, কাঠের দরজা, জানালাও নড়বড়ে। যেকোনো সময় ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
কাজল রানী চক্রবর্তী বলেন, ‘বৃষ্টির সময় ঘরের ভেতরে পানি পড়ে। চালের নিচে পলিথিন দিয়েছি, কিন্তু তাও কাজ হয় না। পাত্র পেতে পানি ধরি, তাতেও সামাল দেওয়া যায় না।’
২০২১ সালে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্বামী নারায়ণ চন্দ্র চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়। একমাত্র ছেলে নেপাল চন্দ্র চক্রবর্তী মানসিক প্রতিবন্ধী। পরিবারের উপার্জনের একমাত্র ভরসা পুত্রবধূ, যিনি স্থানীয় অনুষ্ঠানে রান্নার কাজ করে যা আয় করেন, তা দিয়েই কোনোমতে চলে সংসার। কাজল রানীর একমাত্র ভাতার কার্ডটিও বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ‘আমি খুব কষ্টে আছি। ঘরটা যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। সরকারের কাছে এবং সমাজের বিত্তবানদের কাছে একটা ঘর করে দেওয়ার অনুরোধ জানাই।’
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সরকারি সহায়তা দিয়ে কাজল রানীর নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হোক।