ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোটিশ ছাড়াই প্রবাসীর সীমানাপ্রাচীর ভাঙার অভিযোগ হাজীগঞ্জ পৌরসভার বিরুদ্ধে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মকিমাবাদ এলাকায় ড্রেনেজ নির্মাণ কাজের সময় প্রবাসী মো. শরিফ হোসেনের মালিকানাধীন বসতবাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা অনুমতি ছাড়াই শুক্রবার ভোরে এ ভাঙচুর চালানো হয়।

 

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পৌরসভার ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হলে তাদের সম্পত্তির পাশ দিয়ে ড্রেন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করার সুযোগে পৌর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বাউন্ডারি ওয়াল, গেইট, গাছপালা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেন। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

 

এ ঘটনায় হাজীগঞ্জ পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস মিয়া ও ঠিকাদার শওকতকে আসামি করে হাজীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

 

অন্যদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আকবর কন্টাক্টর দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে প্রবাসী শরিফ হোসেনকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো সমাধান না হওয়ায় জনস্বার্থে পৌরসভার নির্দেশে দেয়াল অপসারণ করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস মিয়া বলেন, “দেয়াল নির্মাণের সময় পৌরসভার অনুমতি নেওয়া হয়নি। এছাড়া আইন অনুযায়ী রাস্তা থেকে ৫ ফুট দূরত্ব রেখে প্রাচীর নির্মাণের নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। জনগণের স্বার্থে ও উন্নয়ন কাজের স্বার্থে দেয়ালটি অপসারণ করা হয়েছে।”

 

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে মতলবের প্রবাসী জসিম উদ্দিনকে হ’ত্যার অভিযোগ, মরুভূমিতে মিলল মরদেহ

নোটিশ ছাড়াই প্রবাসীর সীমানাপ্রাচীর ভাঙার অভিযোগ হাজীগঞ্জ পৌরসভার বিরুদ্ধে

আপডেট : ০২:১৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মকিমাবাদ এলাকায় ড্রেনেজ নির্মাণ কাজের সময় প্রবাসী মো. শরিফ হোসেনের মালিকানাধীন বসতবাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা অনুমতি ছাড়াই শুক্রবার ভোরে এ ভাঙচুর চালানো হয়।

 

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পৌরসভার ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হলে তাদের সম্পত্তির পাশ দিয়ে ড্রেন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করার সুযোগে পৌর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বাউন্ডারি ওয়াল, গেইট, গাছপালা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেন। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

 

এ ঘটনায় হাজীগঞ্জ পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস মিয়া ও ঠিকাদার শওকতকে আসামি করে হাজীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

 

অন্যদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আকবর কন্টাক্টর দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে প্রবাসী শরিফ হোসেনকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো সমাধান না হওয়ায় জনস্বার্থে পৌরসভার নির্দেশে দেয়াল অপসারণ করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস মিয়া বলেন, “দেয়াল নির্মাণের সময় পৌরসভার অনুমতি নেওয়া হয়নি। এছাড়া আইন অনুযায়ী রাস্তা থেকে ৫ ফুট দূরত্ব রেখে প্রাচীর নির্মাণের নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। জনগণের স্বার্থে ও উন্নয়ন কাজের স্বার্থে দেয়ালটি অপসারণ করা হয়েছে।”

 

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।