ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরুড়ায় পৌষ সংক্রান্তিতে পুরাতন ঐতিহ্য বুড়ির ঘর ও নগর কীর্তন অনুষ্টিত

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০১:১৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৩
  • 68
সৌরভ লোধ (বরুড়া)কুমিল্লাঃ
পৌষ সংক্রান্তি বাঙ্গালীর সংস্কৃতির একটি অংশ হলেও এটি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে পালিত হয়। এটি পৌষ মাসের শেষ দিনে হয়ে থাকে। এই দিনটিকে কুমিল্লার বরুড়ায়  একটু ভিন্নভাবে পালন করে থাকে সনাতন ধর্মালম্বীরা।
বরুড়া উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের নলুয়া চাঁদপুর গ্রামে বিলুপ্ত হওয়া পুরাতন ঐতিহ্যকে জাগিয়ে তুলতে  পৌষ সংক্রান্তির নানা আয়োজন করেছে রাধাকৃষ্ণ সংঘ নামের একটি স্থানীয়  সনাতন সংগঠন।
পৌষ সংক্রান্তির কয়েকদিন পূর্ব থেকেই বরুড়ার সকল গ্রামের ন্যায় নলুয়া চাঁদপুর গ্রামেও আমন ধানের খড়,কাঁচা বাঁশ,তাল পাতা,খেজুর পাতা সহ ইত্যাদি পাতা ও শুকনো গাছ সংগ্রহ করে  ছোট মেষ ঘর বানিয়ে,তা পরের দিন কাক ডাকা ভোরে সবাই ঘুম থেকে উঠে স্নান করে রাতে তৈরী করা ঘরটিতে আগুন দেন। আর স্নান শেষে সে আগুনে সবাই মিলে তাও/তাপ নেন।আগুনে তাপ নেয়ার সময় কাঁচা বাঁশ যখন পুঁড়ে  গুলির শব্দের মতো একটি শব্দ হয়। আর সেই শব্দ শোনামাত্র আগুনে তা নেয়া সবাই উচ্চ স্বরে উচ্ছাস প্রকাশ করেন। রয়েছে হাস্যকর বাক্য বিনিময়।
তড়িঘড়ি করে এ পর্ব শেষ করে গ্রামের ছোট বড় সবাই মিলে নেমে যায় নগর কীর্তনে।
 গ্রামের সবাই নিজের ও জগতের মঙ্গলে অংশনেন এই নগর কীর্তনে।  হরেকৃষ্ণ নামে মুখরিত হয়ে উঠে গ্রামের প্রতিটি বাড়ি।
  কীর্তনে কমলা, নারিকেল, বাতেসা, কলা, খিড়া, কদমা ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে দেয়া হয় লুঠ।থাকে ধর্মীয় তাৎপর্যপূর্ণ কীর্তনীয় সংগীত। কীর্তন শেষে আয়োজন করা হয় মহাপ্রসাদ বিতরণের।
 আর এইভাবেই সমাপ্ত ঘটে  বরুড়ার ঐতিহ্যবাহী  সনাতন ধর্মালম্বীদের পৌষ সংক্রান্তি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

বরুড়ায় পৌষ সংক্রান্তিতে পুরাতন ঐতিহ্য বুড়ির ঘর ও নগর কীর্তন অনুষ্টিত

আপডেট : ০১:১৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৩
সৌরভ লোধ (বরুড়া)কুমিল্লাঃ
পৌষ সংক্রান্তি বাঙ্গালীর সংস্কৃতির একটি অংশ হলেও এটি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে পালিত হয়। এটি পৌষ মাসের শেষ দিনে হয়ে থাকে। এই দিনটিকে কুমিল্লার বরুড়ায়  একটু ভিন্নভাবে পালন করে থাকে সনাতন ধর্মালম্বীরা।
বরুড়া উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের নলুয়া চাঁদপুর গ্রামে বিলুপ্ত হওয়া পুরাতন ঐতিহ্যকে জাগিয়ে তুলতে  পৌষ সংক্রান্তির নানা আয়োজন করেছে রাধাকৃষ্ণ সংঘ নামের একটি স্থানীয়  সনাতন সংগঠন।
পৌষ সংক্রান্তির কয়েকদিন পূর্ব থেকেই বরুড়ার সকল গ্রামের ন্যায় নলুয়া চাঁদপুর গ্রামেও আমন ধানের খড়,কাঁচা বাঁশ,তাল পাতা,খেজুর পাতা সহ ইত্যাদি পাতা ও শুকনো গাছ সংগ্রহ করে  ছোট মেষ ঘর বানিয়ে,তা পরের দিন কাক ডাকা ভোরে সবাই ঘুম থেকে উঠে স্নান করে রাতে তৈরী করা ঘরটিতে আগুন দেন। আর স্নান শেষে সে আগুনে সবাই মিলে তাও/তাপ নেন।আগুনে তাপ নেয়ার সময় কাঁচা বাঁশ যখন পুঁড়ে  গুলির শব্দের মতো একটি শব্দ হয়। আর সেই শব্দ শোনামাত্র আগুনে তা নেয়া সবাই উচ্চ স্বরে উচ্ছাস প্রকাশ করেন। রয়েছে হাস্যকর বাক্য বিনিময়।
তড়িঘড়ি করে এ পর্ব শেষ করে গ্রামের ছোট বড় সবাই মিলে নেমে যায় নগর কীর্তনে।
 গ্রামের সবাই নিজের ও জগতের মঙ্গলে অংশনেন এই নগর কীর্তনে।  হরেকৃষ্ণ নামে মুখরিত হয়ে উঠে গ্রামের প্রতিটি বাড়ি।
  কীর্তনে কমলা, নারিকেল, বাতেসা, কলা, খিড়া, কদমা ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে দেয়া হয় লুঠ।থাকে ধর্মীয় তাৎপর্যপূর্ণ কীর্তনীয় সংগীত। কীর্তন শেষে আয়োজন করা হয় মহাপ্রসাদ বিতরণের।
 আর এইভাবেই সমাপ্ত ঘটে  বরুড়ার ঐতিহ্যবাহী  সনাতন ধর্মালম্বীদের পৌষ সংক্রান্তি।