ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাসের সুপারভাইজারকে পিটিয়ে হত্যা

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১২:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০২২
  • 138

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে শনিবার ভোর রাতে দাঁড়ানো ইকোনো পরিবহনের একটি বাসের ভেতর ঘুমন্ত অবস্থায় সুপারভাইজারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাসের চালককে আটক করা হয়েছে। মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রিয়াদ হোসেন লিটনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের মোহাম্মদ নগর এলাকায়।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বাসটি রাত ১টার দিকে লক্ষ্মীপুরে পৌঁছায়। বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের নামিয়ে চালক মো. নাহিদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় এনে বাসটি রাখেন। নাহিদ ও শিপন নামের একজন স্টাফ বাড়ি চলে যান। বাসে ঘুমিয়ে পড়েন লিটন ও দুই দিন আগে কাজে যোগ দেয়া হেলপার। ওই হেলপারের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

ভোররাত ৪টার দিকে নাহিদ এসে বাসের ভেতর লিটনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি স্থানীয় লাইনম্যান সেলিমকে জানালে, সেলিম পুলিশকে খবর দেন। দীর্ঘদিন ধরে ইকোনো বাসে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করা লিটনের স্বজনদের দাবি, চালকসহ অন্যরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন বলেন, ‘লিটনের মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে লিটনকে হত্যা করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসচালককে আটক করেছি। এ ঘটনার পর থেকে নতুন হেলপার পলাতক। তার পরিচয় কেউ জানাতে পারেনি। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

বাসের সুপারভাইজারকে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট : ১২:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০২২

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে শনিবার ভোর রাতে দাঁড়ানো ইকোনো পরিবহনের একটি বাসের ভেতর ঘুমন্ত অবস্থায় সুপারভাইজারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাসের চালককে আটক করা হয়েছে। মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রিয়াদ হোসেন লিটনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের মোহাম্মদ নগর এলাকায়।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বাসটি রাত ১টার দিকে লক্ষ্মীপুরে পৌঁছায়। বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের নামিয়ে চালক মো. নাহিদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় এনে বাসটি রাখেন। নাহিদ ও শিপন নামের একজন স্টাফ বাড়ি চলে যান। বাসে ঘুমিয়ে পড়েন লিটন ও দুই দিন আগে কাজে যোগ দেয়া হেলপার। ওই হেলপারের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

ভোররাত ৪টার দিকে নাহিদ এসে বাসের ভেতর লিটনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি স্থানীয় লাইনম্যান সেলিমকে জানালে, সেলিম পুলিশকে খবর দেন। দীর্ঘদিন ধরে ইকোনো বাসে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করা লিটনের স্বজনদের দাবি, চালকসহ অন্যরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন বলেন, ‘লিটনের মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে লিটনকে হত্যা করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসচালককে আটক করেছি। এ ঘটনার পর থেকে নতুন হেলপার পলাতক। তার পরিচয় কেউ জানাতে পারেনি। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’