ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫ মাসের শিশুকে ড্রেনে ফেলার অভিযোগ!

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৬:১৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল ২০২২
  • 130

পবিত্র রমজানে মাসে ফাতেমা নামে পাঁচ মাস বয়সী শিশুকে ড্রেনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে শিশুটিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবার। এ ঘটনার পর গৃহকর্মী সুরমাকে স্থানীয়রা আটক করে তার পরিবারকে খবর দিয়েছে। বর্তমানে শিশুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টায়  মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী ইউনিয়নের নাহাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়রা জানায়, নাহাপাড়া এলাকার সাকিব খান দিপুর মেয়ে ফাতেমাকে ১৪ বছর বয়সী গৃহকর্মী সুরমার কাছে রেখে ঘরের বাইরে কাজ করছিলেন শিশুটির মা। এ সুযোগে শিশুটির মুখ বেঁধে বাড়ির পাশের মুরগি খামারের ড্রেনে ফেলে দেন সুরমা। তিনি এ বাড়িতে তিন বছর ধরে গৃহকর্মীর কাজ করছেন।

ফাতেমার মা সুমি আক্তার বলেন, গৃহকর্মী সুরমা তিন বছর ধরে আমার বাসায় কাজ করছেন। তার বাবার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি এমন ন্যক্কারজনক কাজ করবেন আমরা ভাবতেও পারিনি।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত রাজিব খান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

৫ মাসের শিশুকে ড্রেনে ফেলার অভিযোগ!

আপডেট : ০৬:১৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল ২০২২

পবিত্র রমজানে মাসে ফাতেমা নামে পাঁচ মাস বয়সী শিশুকে ড্রেনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে শিশুটিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবার। এ ঘটনার পর গৃহকর্মী সুরমাকে স্থানীয়রা আটক করে তার পরিবারকে খবর দিয়েছে। বর্তমানে শিশুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টায়  মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী ইউনিয়নের নাহাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়রা জানায়, নাহাপাড়া এলাকার সাকিব খান দিপুর মেয়ে ফাতেমাকে ১৪ বছর বয়সী গৃহকর্মী সুরমার কাছে রেখে ঘরের বাইরে কাজ করছিলেন শিশুটির মা। এ সুযোগে শিশুটির মুখ বেঁধে বাড়ির পাশের মুরগি খামারের ড্রেনে ফেলে দেন সুরমা। তিনি এ বাড়িতে তিন বছর ধরে গৃহকর্মীর কাজ করছেন।

ফাতেমার মা সুমি আক্তার বলেন, গৃহকর্মী সুরমা তিন বছর ধরে আমার বাসায় কাজ করছেন। তার বাবার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি এমন ন্যক্কারজনক কাজ করবেন আমরা ভাবতেও পারিনি।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত রাজিব খান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।