ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন গণসংযোগে ব্যস্ত সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সেলিম

 

মনিরুল ইসলাম মনির:

পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ছেংগারচর পৌর এলাকায় শুরু হয়েছে আগাম গণসংযোগ
ও নির্বাচনি প্রস্তুতি। পাশাপাশি দলীয় মনোনয়ন পেতে চলছে রীতিমতো দৌড়ঝাঁপ। মেয়র
প্রার্থী ও কাউন্সিলর প্রার্থী আগেভাগেই মাঠে নেমে পড়েছেন। চলছে দিন-রাত ওয়ার্ডে
ওয়ার্ডে লিফলেট বিলি, চায়ের স্টল, হোটেল-রেস্তোরাঁয় আড্ডা, ঘরোয়া বৈঠক ও পরামর্শ সভা।
নেতাকর্মীদের কাছে ধরনাও দিচ্ছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিল্পপতি,
গুলশান থানা যুবলীগের সহ-সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র প্রার্থী, আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান সেলিম
ছেংগারচর বাজারে গণসংযোগ করেন। এর পূর্বে তিনি নিজ গ্রাম এমএম কান্দিতে জুম্মার
নামাজ আদায় করে মুসল্লিদের কাছে দোয়া চান। এরপর বাবা মাওলানা আবদুল হাই এর কবর
জিয়ারত করেন। বিকেলে ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের সাথে কুশল
বিনিমম করেন। ছেংগারচর বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের সাথে
গণসংযোগ করেন। ভোটারের সাথে কুশল বিনিময় করে।

এসময় পৌর আওয়ামী লীগ নেতা মনজুর খান, পৌর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল হোসেন
ফরাজী, সহ-সভাপতি আমিনুল হক বেপারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মোল্লা,

সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামান সরকার, সাবেক কাউন্সিলর শাহনূর বেপারী, শাহাদাত হোসেন
ঢালী খোকন, মজিবুর রহমান, যুবলীগ নেতা মুছা বেপারী’সহ নেতৃবৃন্দ।

দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে মাহবুবুর রহমান সেলিম বলেন, স্থানীয় ভাবে দলীয় ফোরামে আমার
প্রার্থীতার বিষয়টি উত্থাপন করেছি। নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতেই দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
কাছে তা উপস্থাপন করা হবে। আমি আশাবাদী যে নেতা-কর্মীরা সম্মিলিত ভাবেই আমাকে
সমর্থন জানাবে। কারণ মূল দলসহ সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠন সম‚হের সকল নেতা-কর্মীর
সাথেই আমার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। এমনকি দলমত নির্বিশেষে পৌরসভার সকল মানুষের সাথে
সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সচরাচরই বিদ্যমান। যা অনেকের তুলনায় অনেকাংশে বেশিই বলে
আমার বিশ্বাস। তাই মনে করি একই ভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও
প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিবেন নৌকার মাঝি হিসেবে। কারণ
তিনি দল ও দেশের সকল ক্ষেত্রে যোগ্য কর্মীকে প্রাধান্য দিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে
মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর উপযুক্ত করে গড়ে তোলায় উদ্যোগ নিয়েছেন। পরম করুণাময়
আল্লাহ্ধসঢ়;তায়ালা যতদিন আমাকে জীবিত রাখবেন, ততদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমানের আদর্শ ও জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদশে
ভিশন ২০৪১ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন গণসংযোগে ব্যস্ত সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সেলিম

আপডেট : ০৮:২১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩

 

মনিরুল ইসলাম মনির:

পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ছেংগারচর পৌর এলাকায় শুরু হয়েছে আগাম গণসংযোগ
ও নির্বাচনি প্রস্তুতি। পাশাপাশি দলীয় মনোনয়ন পেতে চলছে রীতিমতো দৌড়ঝাঁপ। মেয়র
প্রার্থী ও কাউন্সিলর প্রার্থী আগেভাগেই মাঠে নেমে পড়েছেন। চলছে দিন-রাত ওয়ার্ডে
ওয়ার্ডে লিফলেট বিলি, চায়ের স্টল, হোটেল-রেস্তোরাঁয় আড্ডা, ঘরোয়া বৈঠক ও পরামর্শ সভা।
নেতাকর্মীদের কাছে ধরনাও দিচ্ছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিল্পপতি,
গুলশান থানা যুবলীগের সহ-সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র প্রার্থী, আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান সেলিম
ছেংগারচর বাজারে গণসংযোগ করেন। এর পূর্বে তিনি নিজ গ্রাম এমএম কান্দিতে জুম্মার
নামাজ আদায় করে মুসল্লিদের কাছে দোয়া চান। এরপর বাবা মাওলানা আবদুল হাই এর কবর
জিয়ারত করেন। বিকেলে ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের সাথে কুশল
বিনিমম করেন। ছেংগারচর বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের সাথে
গণসংযোগ করেন। ভোটারের সাথে কুশল বিনিময় করে।

এসময় পৌর আওয়ামী লীগ নেতা মনজুর খান, পৌর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল হোসেন
ফরাজী, সহ-সভাপতি আমিনুল হক বেপারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মোল্লা,

সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামান সরকার, সাবেক কাউন্সিলর শাহনূর বেপারী, শাহাদাত হোসেন
ঢালী খোকন, মজিবুর রহমান, যুবলীগ নেতা মুছা বেপারী’সহ নেতৃবৃন্দ।

দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে মাহবুবুর রহমান সেলিম বলেন, স্থানীয় ভাবে দলীয় ফোরামে আমার
প্রার্থীতার বিষয়টি উত্থাপন করেছি। নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতেই দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
কাছে তা উপস্থাপন করা হবে। আমি আশাবাদী যে নেতা-কর্মীরা সম্মিলিত ভাবেই আমাকে
সমর্থন জানাবে। কারণ মূল দলসহ সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠন সম‚হের সকল নেতা-কর্মীর
সাথেই আমার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। এমনকি দলমত নির্বিশেষে পৌরসভার সকল মানুষের সাথে
সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সচরাচরই বিদ্যমান। যা অনেকের তুলনায় অনেকাংশে বেশিই বলে
আমার বিশ্বাস। তাই মনে করি একই ভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও
প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিবেন নৌকার মাঝি হিসেবে। কারণ
তিনি দল ও দেশের সকল ক্ষেত্রে যোগ্য কর্মীকে প্রাধান্য দিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে
মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর উপযুক্ত করে গড়ে তোলায় উদ্যোগ নিয়েছেন। পরম করুণাময়
আল্লাহ্ধসঢ়;তায়ালা যতদিন আমাকে জীবিত রাখবেন, ততদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমানের আদর্শ ও জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদশে
ভিশন ২০৪১ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।