ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়েতে হাজীগঞ্জের এক রেমিট্যান্স যোদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু 

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১০:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০২২
  • 170
শাখাওয়াত হোসেন শামীম :
কুয়েতে আনোয়ার হোসেন (২৯) নামের হাজীগঞ্জের এক রেমিট্যান্স যোদ্ধার
রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
গত শনিবার (১৬ এপ্রিল) স্থানীয় সময় ৩টার দিকে আনোয়ারের মৃতদেহ তাঁর বাসার কাছে পাওয়া যায়। তবে কিভাবে আনোয়ারের মৃত্যু হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। আনোয়ার চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬ নং বড়কুল ইউনিয়নের আড়ুলী মুন্সী বাড়ির মোঃ মোখলেছ মুন্সীর বড় ছেলে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আনোয়ার প্রায় দুবছর আগে কর্মের জন্য কুয়েতে পাড়ি জমায়। ঈদের পরেই দেশে এসে বিয়ে করার কথা ছিলো আনোয়ারের। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের বড় ছেলে ও একমাত্র উপার্জনকারী সন্তান কে হারিয়ে বাকরুদ্ধ পুরো পরিবার।
ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মুজিবুর রহমান বলেন, আনোয়ারের মৃত্যুর খবর শুনে (রবিবার) ১৭ এপ্রিল তাঁর বাড়িতে গিয়েছি। তাঁর বাবা মার সাথে কথা হয়েছে। সেখানকার পুলিশ রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না মৃত্যুর কারণ। আনোয়ার ছিলো পরিবারটির একমাত্র উপার্জনকারী।  আনোয়ারের মৃতদেহ দ্রুত দেশে আনার সকল ব্যবস্থা করা হবে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

কুয়েতে হাজীগঞ্জের এক রেমিট্যান্স যোদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু 

আপডেট : ১০:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০২২
শাখাওয়াত হোসেন শামীম :
কুয়েতে আনোয়ার হোসেন (২৯) নামের হাজীগঞ্জের এক রেমিট্যান্স যোদ্ধার
রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
গত শনিবার (১৬ এপ্রিল) স্থানীয় সময় ৩টার দিকে আনোয়ারের মৃতদেহ তাঁর বাসার কাছে পাওয়া যায়। তবে কিভাবে আনোয়ারের মৃত্যু হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। আনোয়ার চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬ নং বড়কুল ইউনিয়নের আড়ুলী মুন্সী বাড়ির মোঃ মোখলেছ মুন্সীর বড় ছেলে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আনোয়ার প্রায় দুবছর আগে কর্মের জন্য কুয়েতে পাড়ি জমায়। ঈদের পরেই দেশে এসে বিয়ে করার কথা ছিলো আনোয়ারের। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের বড় ছেলে ও একমাত্র উপার্জনকারী সন্তান কে হারিয়ে বাকরুদ্ধ পুরো পরিবার।
ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মুজিবুর রহমান বলেন, আনোয়ারের মৃত্যুর খবর শুনে (রবিবার) ১৭ এপ্রিল তাঁর বাড়িতে গিয়েছি। তাঁর বাবা মার সাথে কথা হয়েছে। সেখানকার পুলিশ রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না মৃত্যুর কারণ। আনোয়ার ছিলো পরিবারটির একমাত্র উপার্জনকারী।  আনোয়ারের মৃতদেহ দ্রুত দেশে আনার সকল ব্যবস্থা করা হবে।