ফরিদগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের
চাঁদপুর জেলা শাখার যৌথ অভিযানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময়
হাসপাতাল, হোটেল, ফার্মেসি, ফলের দোকান ও আড়তসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানের
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ মোতাবেক ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
৯ই আগষ্ট বুধবার দুপুরে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমুন
নেছা ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের
সহকারী পরিচালক নুর হোসেনসহ যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন।
প্রথমে পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আরাফাত হোটেল এন্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্টে
বাসি কাবাব, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি, মূল্য তালিকা প্রদর্শন
না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ফুডগ্রেড কালার দিয়ে কেক তৈরির অপরাধে ১৫
হাজার টাকা , নিফা ফার্মেসিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষুধ পাওয়া ৫ হাজার টাকা,
ফরিদগঞ্জ বাজারে পেঁয়াজ,আদা,আলু ও রসুনের পাইকারী বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান
মেসার্স নয়ন ব্রাদার্সে মূল্য তালিকা না থাকায় ১০ হাজার টাকা,
মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষুধ পাওয়ায় আল শিফা ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা
করা হয়।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমুন নেছা কর্তৃক মোবাইল কোর্টে
ফরিদগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড এলাকায় মোহছেন আউলয়া হোটেলে অস্বাস্থ্যকর নোংরা
পরিবেশে খাবার তৈরি এবং মূল্য তালিকা না থাকায় ১৫ হাজার টাকা, ৩ টা ফল
দোকানে মূল্য তালিকা না থাকায় ১হাজার করে ৩ হাজার টাকা, ফরিদগঞ্জ সেন্ট্রাল
হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ও ডেংঙ্গু টেস্ট ফি বেশি রাখার দায়ে ১০
হাজার টাকা এবং নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি ও মূল্য তালিকা অসামঞ্জস্যপূর্ণ
পাওয়ায় মনির হোটেলকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমুন নেছা বলেন, আমাদের বাজার তদারকি
অব্যহত থাকবে। যে সকল হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানে ভেজাল পাওয়া যাবে সেই সকল
হাসপাতাল ও দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমরা প্রথম বারের মতন সর্তক করলাম।




















