হাজীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে বিনম্র শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ আগস্ট) বিকালে হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন আলীগঞ্জ পিটিআইয়ের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাওয়ার সেল’র ডিজি (মহা-পরিচালক) প্রকৌ. মোহাম্মদ হোসাইন।
তিনি বঙ্গবন্ধুসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শাহাদাৎবরণকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তিনি বলেন, কারবালার ময়দানে কোন শিশুকে হত্যা করা হয়নি। অথচ ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শিশুপুত্র শেখ রাসেলকে হত্যা করে কতটা নির্মমতা ও নিশংসতার পরিচয় দিয়েছে। আমি মনে করি বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি দোসররা হত্যা করনি। এর সাথে আন্তর্জাতিক শক্তি জড়িত ছিল। কারণ বঙ্গবন্ধু সার্মাজ্যবাদকে পছন্দ করতেন না।
প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, সেই পাকিস্তানি দোসররা ও আন্তর্জাতিক শক্তি বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর তাঁর সুযোগ্য কন্যাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্র থেমে নেই। মহান আল্লাহ্ দেশের মানুষের জন্য তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। আর তিনিও বঙ্গবন্ধুর দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়নে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। যার সুফল দেশের মানুষ ভোগ করছে।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ আনোয়ার হোসেন বতুর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ¦ হেলাল উদ্দিন মিয়াজ। বক্তব্য রাখেন, গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান কাজী নুরুর রহমান বেলাল, সাধারণ সম্পাদক গাজী ওলি উল্যাহ্।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান উল্যাহ মৃধা, কালচোঁ দণি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাঈনুদ্দিন মিয়াজী, আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালী উদ্দিন খোকা, হাটিলা পূর্ব ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী, সহ-সম্পাদক আব্দুস শুক্কুর মাষ্টার প্রমুখ।
হাজীগঞ্জ পৌরসভার বাজার পরিদর্শক ও সাবেক ছাত্রনেতা খাজা সাফিউল বাসার রুজমনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শাহাদাৎবরণকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন মাজিদ থেকে তেলওয়াত করেন হাফেজ মো. শেখ ফরিদ।
এছাড়া প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিদের জন্য দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন ও শোকপ্রস্তাব করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা তাঁতি লীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জি. মোখলেছুর রহমান, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি নুর হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা জালাল আহমেদ জিতুসহ উপজেলা ও পৌরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সাবেক ছাত্রনেতা হোসেন মীর, ইঞ্জি. নেছার পাটওয়ারী, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ, বাংলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ, উপ-সম্পাদক ওমর ফারুক, সদস্য সুমন মিয়াজী, সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুর রাজ্জাক, জাকীর হাজারীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।




















