ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৮:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • 35
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজে বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করেছেন।
এছাড়াও  বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইসলামি রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মহানবী (সা.)-এর জীবনের ওপর আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।
এদিন সকালে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজের  অধ্যক্ষ  মোঃ আবু ছাঈদ সহ শিক্ষকবৃন্দ বলেন,প্রায় দেড় হাজার বছর আগে ৫৭০ খ্রীষ্টাব্দের এই দিনে মানব জাতির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর শুভ আবির্ভাব ঘটে।
হিজরি রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ মুসলিম উম্মাহর কাছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। ৫৭০ খ্রীষ্টাব্দের এই দিনে আরবের মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর জন্মের আগে গোটা আরব অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। ওই সময় আরবের মানুষ মহান আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃংখলা। এই যুগকে বলা হতো ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’-এর যুগ।
তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তিপূজা করতো। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতাআলা রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে দুনিয়ায় প্রেরণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সমাপনী বক্তব্য রাখেন,অধ্যক্ষ  মোঃ আবু ছাঈদ।
সঞ্চালন করেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ হোসাইনুল আজম।
বক্তব্য রাখেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের কলেজ সাধারন শাখার সমন্বয়কারী মোঃ তাজুল ইসলাম,বিএম শাখার
 সমন্বয়কারী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও ভোকেশনাল শাখার সমন্বয়কারী মোঃ জহিরুল ইসলাম মজুমদার।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন,সিনিয়র শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান সহ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক (ধর্মীয়) মোঃ নাজমস সাদাত।
অনুষ্ঠানে,উপস্থিত ছিলেন,সিনিয়র শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম,সিনিয়র শিক্ষক মিজানুর রহমান,সিনিয়র শিক্ষক মোঃ শাহাজাহান মুন্সী,  মমতাজ বেগম,বলাই চন্দ্র দে, সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ মনির হোসেন সহ সকল সিনিয়র ও  সহকারী  শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং কর্মচারীবৃন্দ।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত

আপডেট : ০৮:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজে বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করেছেন।
এছাড়াও  বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইসলামি রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মহানবী (সা.)-এর জীবনের ওপর আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।
এদিন সকালে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজের  অধ্যক্ষ  মোঃ আবু ছাঈদ সহ শিক্ষকবৃন্দ বলেন,প্রায় দেড় হাজার বছর আগে ৫৭০ খ্রীষ্টাব্দের এই দিনে মানব জাতির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর শুভ আবির্ভাব ঘটে।
হিজরি রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ মুসলিম উম্মাহর কাছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। ৫৭০ খ্রীষ্টাব্দের এই দিনে আরবের মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর জন্মের আগে গোটা আরব অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। ওই সময় আরবের মানুষ মহান আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃংখলা। এই যুগকে বলা হতো ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’-এর যুগ।
তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তিপূজা করতো। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতাআলা রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে দুনিয়ায় প্রেরণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সমাপনী বক্তব্য রাখেন,অধ্যক্ষ  মোঃ আবু ছাঈদ।
সঞ্চালন করেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ হোসাইনুল আজম।
বক্তব্য রাখেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের কলেজ সাধারন শাখার সমন্বয়কারী মোঃ তাজুল ইসলাম,বিএম শাখার
 সমন্বয়কারী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও ভোকেশনাল শাখার সমন্বয়কারী মোঃ জহিরুল ইসলাম মজুমদার।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন,সিনিয়র শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান সহ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক (ধর্মীয়) মোঃ নাজমস সাদাত।
অনুষ্ঠানে,উপস্থিত ছিলেন,সিনিয়র শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম,সিনিয়র শিক্ষক মিজানুর রহমান,সিনিয়র শিক্ষক মোঃ শাহাজাহান মুন্সী,  মমতাজ বেগম,বলাই চন্দ্র দে, সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ মনির হোসেন সহ সকল সিনিয়র ও  সহকারী  শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং কর্মচারীবৃন্দ।