ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজের ৬ দিন‌ পর নারীর লাশ মিলল ডোবায় 

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৭:০২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 46
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নিখোঁজের ৬ দিন পর ডোবা থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন স্বামী পরিত্যক্তা পান্না আক্তার পানু (৪৫)-এর অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে।
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের শেখ বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে তার অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পান্না আক্তার পশ্চিম লাড়ুয়া এলাকার শেখ বাড়ির মৃত নুর হোসেন শেখের মেয়ে। ডোবায় অর্ধগলিত লাশের কথা শুনে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম ও থানার উপপরিদর্শক এসআই ইসলাম হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত ১১টার সময় লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
মৃত পান্নার বড় ভাই মফিজ শেখ জানায়, গত রোববার রাতে খাবার খেয়ে পান্না ঘর থেকে বের হয়। ৬ দিন পর শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের এক মহিলা হাঁস খুঁজতে গিয়ে ডোবায় একটি মৃতদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে থানায় খবর দেয়। আমি তখন মসজিদে ছিলাম। ডোবায় লাশের কথা শুনে এসে দেখি আমার বোনের লাশ।
তিনি আরো জানান, প্রায় ২০ থেকে ২২ বছর পূর্বে সিলেটে সামছুল ইসলামের কাছে বোনকে বিয়ে দিই। এরপর বোনের একটি ছেলে সন্তান হয়। তার মানসিক সমস্যা থাকার কারণে ছেলেকে নিয়ে তার বাবা এখান থেকে চলে যায়। তারপর থেকে বোনটা আমার কাছেই ছিল।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম জানান, ডোবায় মানসিক ভারসাম্যহীন পান্না আক্তারের অর্ধগলিত লাশের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

নিখোঁজের ৬ দিন‌ পর নারীর লাশ মিলল ডোবায় 

আপডেট : ০৭:০২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নিখোঁজের ৬ দিন পর ডোবা থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন স্বামী পরিত্যক্তা পান্না আক্তার পানু (৪৫)-এর অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে।
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের শেখ বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে তার অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পান্না আক্তার পশ্চিম লাড়ুয়া এলাকার শেখ বাড়ির মৃত নুর হোসেন শেখের মেয়ে। ডোবায় অর্ধগলিত লাশের কথা শুনে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম ও থানার উপপরিদর্শক এসআই ইসলাম হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত ১১টার সময় লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
মৃত পান্নার বড় ভাই মফিজ শেখ জানায়, গত রোববার রাতে খাবার খেয়ে পান্না ঘর থেকে বের হয়। ৬ দিন পর শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের এক মহিলা হাঁস খুঁজতে গিয়ে ডোবায় একটি মৃতদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে থানায় খবর দেয়। আমি তখন মসজিদে ছিলাম। ডোবায় লাশের কথা শুনে এসে দেখি আমার বোনের লাশ।
তিনি আরো জানান, প্রায় ২০ থেকে ২২ বছর পূর্বে সিলেটে সামছুল ইসলামের কাছে বোনকে বিয়ে দিই। এরপর বোনের একটি ছেলে সন্তান হয়। তার মানসিক সমস্যা থাকার কারণে ছেলেকে নিয়ে তার বাবা এখান থেকে চলে যায়। তারপর থেকে বোনটা আমার কাছেই ছিল।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম জানান, ডোবায় মানসিক ভারসাম্যহীন পান্না আক্তারের অর্ধগলিত লাশের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।