ঢাকা ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২ কোটি ২৯ লাখ লিটার সয়াবিন তেল নিয়ে চট্রগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে একটি জাহাজ।

দেশজুড়ে সয়াবিন তেলের সংকট। ঈদের সামনে দোকানে সয়াবিন তেল না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। এদিকে সংকটকালে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী মজুত করে রাখা তেল বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে এলো একটি ইতিবাচক খবর। ২ কোটি ২৯ লাখ লিটার সয়াবিন তেল নিয়ে গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে একটি জাহাজ। জাহাজ থেকে এখন পুরোদমে তেল খালাস চলছে।

রোববার বন্দর সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। জানা গেছে, এমভি ওরিয়েন্ট চ্যালেঞ্জ জাহাজটিতে এই সয়াবিন তেল আমদানি করেছে বসুন্ধরা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড ও সেনা কল্যাণ এডিবল অয়েল লিমিটেড।

তেল আমদানির পর প্রথমে পতেঙ্গা এলাকায় কাস্টমস বন্ডেন্ড ট্যাংক টার্মিনালে রাখা হয়। আর শুল্ককর পরিশোধের পর ট্যাংক টার্মিনাল থেকে খালাস করে কারখানায় নিয়ে পরিশোধন করে কোম্পানিগুলো। বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় কারখানাগুলো নিয়মিতই এখন ট্যাংক টার্মিনাল থেকে খালাস করে কারখানায় নিয়ে পরিশোধন করছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরে বিশ্ববাজারে সয়াবিনের দামে অস্থিরতা শুরু হয়। আর্জেন্টিনা রপ্তানি সীমিত করার ঘোষণা এবং ইন্দোনেশিয়া পাম তেল রপ্তানি বন্ধের ঘোষণার পর দাম বাড়ার নতুন নতুন রেকর্ড হয়। দেশেও দাম না পেয়ে আমদানি কমিয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। আবার ঈদের পরে দাম বাড়বে, এমন চিন্তা থেকে মজুতের প্রবণতাও শুরু হয়। তাতে সয়াবিন তেলের সংকট তৈরি হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

২ কোটি ২৯ লাখ লিটার সয়াবিন তেল নিয়ে চট্রগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে একটি জাহাজ।

আপডেট : ০৮:২৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মে ২০২২

দেশজুড়ে সয়াবিন তেলের সংকট। ঈদের সামনে দোকানে সয়াবিন তেল না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। এদিকে সংকটকালে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী মজুত করে রাখা তেল বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে এলো একটি ইতিবাচক খবর। ২ কোটি ২৯ লাখ লিটার সয়াবিন তেল নিয়ে গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে একটি জাহাজ। জাহাজ থেকে এখন পুরোদমে তেল খালাস চলছে।

রোববার বন্দর সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। জানা গেছে, এমভি ওরিয়েন্ট চ্যালেঞ্জ জাহাজটিতে এই সয়াবিন তেল আমদানি করেছে বসুন্ধরা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড ও সেনা কল্যাণ এডিবল অয়েল লিমিটেড।

তেল আমদানির পর প্রথমে পতেঙ্গা এলাকায় কাস্টমস বন্ডেন্ড ট্যাংক টার্মিনালে রাখা হয়। আর শুল্ককর পরিশোধের পর ট্যাংক টার্মিনাল থেকে খালাস করে কারখানায় নিয়ে পরিশোধন করে কোম্পানিগুলো। বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় কারখানাগুলো নিয়মিতই এখন ট্যাংক টার্মিনাল থেকে খালাস করে কারখানায় নিয়ে পরিশোধন করছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরে বিশ্ববাজারে সয়াবিনের দামে অস্থিরতা শুরু হয়। আর্জেন্টিনা রপ্তানি সীমিত করার ঘোষণা এবং ইন্দোনেশিয়া পাম তেল রপ্তানি বন্ধের ঘোষণার পর দাম বাড়ার নতুন নতুন রেকর্ড হয়। দেশেও দাম না পেয়ে আমদানি কমিয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। আবার ঈদের পরে দাম বাড়বে, এমন চিন্তা থেকে মজুতের প্রবণতাও শুরু হয়। তাতে সয়াবিন তেলের সংকট তৈরি হয়।