নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিলে বেশিরভাগ ভবনই তৈরি হয়েছে বিল্ডিং কোড না মেনে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে হিরাঝিল জুড়েই তৈরি হচ্ছে চরম ঝুঁকির। সচেতনতার পাশাপাশি এই ব্যাপারে আরও সচেষ্ট হতে হবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে। এদিকে, রাজউক বলছে, নানা প্রতিবন্ধকতা থাকলেও চেষ্টা চলছে, শতভাগ ভবনে বিল্ডিং কোড বাস্তবায়নের।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) ১ নং ওয়ার্ড হোল্ডিং ফ্রেন্ডস টাওয়ার । বহুতল এই ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে কয়েক বছর আগে বিল্ডিং কোড না মেনে গাড়ি পার্কিং এর জায়গা না রেখে দোকান করে ভাড়া দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ভবন মালিক কমিটির বিরুদ্ধে। কিন্তু বিল্ডিং কোড না মানার অভিযোগ এনে তাদের বিরুদ্ধে কোনো রকম ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি এভবন সহ কোন ভবনের বিরুদ্ধে । সরজমিন পুরো হিরাঝিল ঘুরে দেখা যায় বেশির ভাগ ভবনই রাজউকের প্লান কোর্ট মানা হয়নি। গবেষকরা বলছেন, এমন একটি বা দু’টি নয় বেশির ভাগ ভবনই তৈরি হয়েছে বিল্ডিং কোড না মেনে।
এ ব্যাপারে হিরাঝিল ফ্রেন্ডস টাওয়ারের কমিটির সদস্য বাবলু মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি কিছু জানি না কমিটির সভাপতি সেক্রেটারি জানে বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে হিরাঝিল জুড়েই তৈরি হচ্ছে চরম ঝুঁকি। সচেতনতার পাশাপাশি এই ব্যাপারে আরও সচেষ্ট হতে হবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে। এদিকে, রাজউক বলছে, নানা প্রতিবন্ধকতা থাকলেও চেষ্টা চলছে, শতভাগ ভবনে বিল্ডিং কোড বাস্তবায়নের।
হিরাঝিল এলাকার বাসিন্দা মেহেদী আহম্মেদ নামে এক ব্যক্তি জানান, বেশির ভাগ ভবন রাজউকের কোড না মেনেই করেছে।’
তিনি বলেন, বিল্ডিং কোড না মানার কারণে এ এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছে নানা ঝুঁকির।
একই এলকার হানিফ মিয়া বলেন আমরা প্রতিটা ঘটনাতেই দেখছি যে, বাংলাদেশ বিল্ডিং কোড না মানার জন্য অগ্নিকান্ডে যেমন মানুষ মারা যাচ্ছে, ঠিক ভবন ধসেও তেমনি মারা যাচ্ছে। আর ভূমিকম্পের ব্যাপারে আমরা কোনো সচেতন হচ্ছি না।এ ব্যক্তি আরো বলেন রাজউক প্লান দেবার সময় আমরা নিখুঁতভাবে দেখে অনুমোদন দিলে হয়তো সকল ধরনের দুর্ঘটনা থেকে পাওয়া যাবে। সবাই মিলে নিরাপদে থাকতে পারবো হবে নিরাপদ ভবন। আর বিল্ডিং কোড মানা না হলে ঝুকিতেই থেকে যাবে আমাদের ভবন।




















