ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে চিরকুট লিখে ঋণে জর্জরিত ষাটউদ্ধ বৃদ্ধের আত্মহত্যা 

 চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ৮নংপাইকপাড়া (দঃ) ইউনিয়নে মিনাল রায় (৬০) নামে একজন আত্মহত্যা করেছে। তার এক স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। সে একই ইউনিয়নের কড়ৈতলী গ্রামের মৃত গোয়ালের ছেলে।
৮ জুলাই সোমবার ভোর রাতে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়ারা জানান, মিনাল রায় একজন ভালো লাইসেন্স দারি ইলেক্ট্রনিক মেস্তরি ছিলো, সবসময় হাসিখুশিতে চলতো, যার সাথে দেখা হতো খুবই সাধারণ ভাবে কথা বলতো, পরিবারে তেমন কোন জামেলা নাই, যখন অর্থনৈতিক ভাবে বেশি সমস্যায় ছিলো, তখন এমন দুর্ঘটনা ঘটায় নাই, আর এখন আগের চাইতে ভালো থাকা শর্তেও এমন ঘটনা ঘটানো খুবই দুঃখ জনক।
তার ছেলে তমাল বলেন,, আমাদের পরিবারে কোন কলহ ছিলো না, কিস্তির টাকাসহ কিছু ঋণ আছে, আমরা রাতে এক সাথে  ঘুমাইতে গেছি, মা-বাবায় একরুমে ছিলো, সকালে মা ঘুম থেকে উঠে দেখে দরজা বাহির দিয়ে শিকল মারা, আত্মহত্যার আগে একটা কাগজ লিখে দিয়ে গেছে, লিখে গেছে বাবার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না।
ইউপিস সদস্য সেলিম জিতু বলেন, কিছু ঋণ আছে, বিশেষ করে কিস্তির টাকার জন্য মানসিক ভাবে হাতাশা গ্রস্ত ছিলো, এছাড়া কোন কারন দেখছি না আত্মহত্যার।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হোসেন আহমেদ রাজন বলেন, ঘটনা খুবই দুঃখ জনক, আমি আত্মহত্যার ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে গেছি, সবার সাথে কথা বলে বুঝলাম, কিছু ঋণ আছে, যার মধ্যে কিস্তির টাকাই বেশি, আত্মহত্যার কারন হিসেবে এটাই দেখা যাচ্ছে।।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ফরিদগঞ্জে চিরকুট লিখে ঋণে জর্জরিত ষাটউদ্ধ বৃদ্ধের আত্মহত্যা 

আপডেট : ০২:২২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪
 চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ৮নংপাইকপাড়া (দঃ) ইউনিয়নে মিনাল রায় (৬০) নামে একজন আত্মহত্যা করেছে। তার এক স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। সে একই ইউনিয়নের কড়ৈতলী গ্রামের মৃত গোয়ালের ছেলে।
৮ জুলাই সোমবার ভোর রাতে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়ারা জানান, মিনাল রায় একজন ভালো লাইসেন্স দারি ইলেক্ট্রনিক মেস্তরি ছিলো, সবসময় হাসিখুশিতে চলতো, যার সাথে দেখা হতো খুবই সাধারণ ভাবে কথা বলতো, পরিবারে তেমন কোন জামেলা নাই, যখন অর্থনৈতিক ভাবে বেশি সমস্যায় ছিলো, তখন এমন দুর্ঘটনা ঘটায় নাই, আর এখন আগের চাইতে ভালো থাকা শর্তেও এমন ঘটনা ঘটানো খুবই দুঃখ জনক।
তার ছেলে তমাল বলেন,, আমাদের পরিবারে কোন কলহ ছিলো না, কিস্তির টাকাসহ কিছু ঋণ আছে, আমরা রাতে এক সাথে  ঘুমাইতে গেছি, মা-বাবায় একরুমে ছিলো, সকালে মা ঘুম থেকে উঠে দেখে দরজা বাহির দিয়ে শিকল মারা, আত্মহত্যার আগে একটা কাগজ লিখে দিয়ে গেছে, লিখে গেছে বাবার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না।
ইউপিস সদস্য সেলিম জিতু বলেন, কিছু ঋণ আছে, বিশেষ করে কিস্তির টাকার জন্য মানসিক ভাবে হাতাশা গ্রস্ত ছিলো, এছাড়া কোন কারন দেখছি না আত্মহত্যার।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হোসেন আহমেদ রাজন বলেন, ঘটনা খুবই দুঃখ জনক, আমি আত্মহত্যার ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে গেছি, সবার সাথে কথা বলে বুঝলাম, কিছু ঋণ আছে, যার মধ্যে কিস্তির টাকাই বেশি, আত্মহত্যার কারন হিসেবে এটাই দেখা যাচ্ছে।।