এমন চিত্র চাঁদপুরের হাজীগঞ্জেও দেখা গেছে। থানায় হামলার উদ্দেশ্যে গত সোমবার (৫ আগষ্ট) বেলা তিনটার দিকে হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় ও থানার প্রধান ফটকের সামনে ভীড় করে কয়েক হাজার জনতা। এসময় বিএনপির একাধিক, ব্যবসায়ী নেতা ও সংবাদকর্মীর সহযোগীতায় রক্ষা পায় হাজীগঞ্জ থানা কমপ্লেক্সসহ পুলিশ সদস্যরা। এরপর থেকে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ নিজেদের নিরাপত্তার জন্য দায়িত্ব পালনে নিজ থেকে সরে পড়ে।
এভাবে গত ৭ দিন যাবত থানা পুলিশের কার্যক্রম না থাকায় বিভিন্ন এলাকায় নানা ধরনের অপরাধ বেড়েছে আশংকাজনকভাবে। জনমনে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও অজানা আতঙ্ক বিরাজ করতে থাকে। বিশেষ করে হাজীগঞ্জে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট ও ডাকাত আতঙ্কে মানুষের ঘুম হারাম হয়ে যায়।
পরবর্তীতে অন্তবর্তীকালীণ সরকার গঠন, পুলিশের আইজি নিয়োগ ও সদর দপ্তরের নির্দেশনায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় নতুন উদ্যোমে থানার কার্যক্রম শুরু করে। মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আবদুর রশিদ। এর আগে গতকাল সোমবার (১২ আগষ্ট) দিনব্যাপী সেনাবাহিনীর সহযোগীতায় ইউএনও তাপস শীলসহ তিনি উপজেলার সকল ইউনিয়নের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিন করে জনগণের খোঁজ-খভর নেন এবং তাদের আশ্বস্ত করে থানায় সেবা কার্যক্রম চালু হয়েছে বলে জানান।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আবদুর রশিদ বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা ঘটলেও রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী ও সংবাদকর্মীদের সহযোগীতায় হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের ওপর কোনো ধরনের হামলা হয়নি। তবে পুলিশ সদস্যদের কর্মবিরতীর কারণে সেবা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এখন আবার আমরা পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপস শীল জানান, পুলিশের কাজে সহযোগিতা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। এখন হাজীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।




















